Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
নোবেল

জাতীয় সংগীতের অবমাননা! অভিযোগ ওঠায় কী বললেন নোবেল?

জাতীয় সংগীতের অবমাননা করার অভিযোগ ওঠে বাংলাদেশি গায়কের বিরুদ্ধে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৯, ২০:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৯, ২০:৫৮

options
link
জাতীয় সংগীতের অবমাননা! অভিযোগ ওঠায় কী বললেন নোবেল? zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: জাতীয় সংগীতকে অবমাননার অভিযোগ ওড়ালেন বাংলাদেশি সংগীত শিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেল। আগামী রবিবার নিউইয়র্কের বেলোজিনো পার্টি হলে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন বাংলাদেশি গায়ক। ওই অনুষ্ঠানেই নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ওড়ালেন নোবেল।

[আরও পড়ুন: কঠোর হাসিনা সরকার, বন্ধ হল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মোবাইল পরিষেবা]

জি বাংলার রিয়ালিটি শো ‘সা-রে-গা-মা-পা’ অনুষ্ঠানে তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন নোবেল। তবে তাঁর শিল্পসত্ত্বার সঠিক বিচার হয়নি বলেই সুর চড়িয়েছিলেন বাংলাদেশি অনুরাগীরা। এরপরই সেদেশের এক সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন নোবেল। ওই সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশি শিল্পী বলেন, “রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ যতটা না দেশকে প্রকাশ করে তার চেয়ে কয়েক হাজার গুণ বেশি প্রকাশ করেছে প্রিন্স মাহমুদের লেখা ও জেমস এর গাওয়া ‘বাংলাদেশ’ গানটি।” নোবেলের মন্তব্যের প্রতিবাদে সুর চড়ান ভারত এবং বাংলাদেশি অনুরাগীরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিকৃতকাম বাবার যৌন লালসার শিকার মেয়ে, পুলিশের দ্বারস্থ কিশোরীর কাকিমা]

বর্তমানে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নিউইয়র্কে রয়েছেন নোবেল। সেখানেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নোবেল। তিনি বলেন, “আপনারা অনেকে হয়তো শুনছেন কথাটা। জাতীয় সংগীত বদল করতে চাই আমি, এমন অভিযোগও উঠেছে। কিন্তু এসব ঠিক নয়। আমি বলেছি আমাদের দেশটাকে ব্যাখ্যা করে জেমস ভাইয়ের ‘সোনার বাংলা’ গানটা। আমি কিন্তু একবারও বলিনি এই গানটা জাতীয় সংগীত হওয়া উচিত।” বক্তব্যের জন্যে অনুতপ্ত কি না, এমন প্রশ্নও করা হয় নোবেলকে। জবাবে বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী বলেন, “এটা এগারো মাস আগের একটি বক্তব্য। সেখানে একবারও বলিনি এই গানটা জাতীয় সংগীত হওয়া উচিত। অনুতপ্ত হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু হয়তো কথাটা মানুষের কানে অন্যভাবে পৌঁছেছে। আমি একরকম অর্থে বলেছি আরেকরকম মানুষের কানে গিয়েছে। মানুষের বুঝতে ভুল হয়েছে। কিন্তু আমি জানি সেভাবে বলিনি। আমি দুঃখিত।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.