Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Durga Puja

একই উঠোনে মন্দির-মসজিদ, সম্প্রীতির নজির বাংলাদেশে

শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে বাংলাদেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২১, ০৯:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২১, ০৯:৫৫

options
link
একই উঠোনে মন্দির-মসজিদ, সম্প্রীতির নজির বাংলাদেশে zoom
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: সম্প্রীতির নজির বাংলাদেশে (Bangladesh)। একই উঠোনে অবস্থান করছে মন্দির ও মসজিদ। ভিন ধর্মের দুই উপাসনালয়ে কয়েক দশক ধরে চলছে একযোগে প্রার্থনা। ধর্মীয় সম্প্রীতির এই উজ্জ্বল নিদর্শন রয়েছে সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে। শহরের পুরান বাজার জামে মসজিদ ও কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দিরটি একই উঠোনে রয়েছে। যে যাঁর মতো ধর্মীয় আচার পালন করে চলেছেন। শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে ওই এলাকা।

[আরও পড়ুন: Durga Puja 2021: বাংলাদেশে শারদোৎসবের দায়িত্বে মহিলারা, রমণীদের হাত ধরে পুজো শুরু রমনায়]

স্থানীয়রা জানান, ১৮৩৬ সালে কালী মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই সময় লালমনিরহাট শহরে কালীবাড়ি এলাকার পুরান বাজারে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসলমান ব্যবসায়ীরা নামাজ পাঠের জন্য মন্দিরের পাশেই একটি ছোট ঘর তৈরি করেন। আর সেটির নামকরণও করা হয় পুরান বাজার জামে মসজিদ হিসেবে। ওই সময় থেকে এক উঠানে চলছে দুই ধর্মের দুই উপাসনালয়ের কাজ। দূর্গাপুজো শুরুর আগে মসজিদ ও মন্দির কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নেন। এ পর্যন্ত অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেনি। মন্দির ও মসজিদ দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছে সাধারণ মানুষ। এমনকি কয়েক দেশের রাষ্ট্রদূতও এই মন্দির ও মসজিদ দর্শন করেছেন। আজানের সময় থেকে নামাজের প্রথম জামাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মন্দিরের মাইক, ঢাক-ঢোল-সহ যাবতীয় শব্দ বন্ধ থাকে। নামাজের প্রথম জামাত শেষ হলে মন্দিরের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়। এখানে কোনও বিশৃঙ্খলা হয় না। শালীনতা বজায় রেখে একই উঠানে দীর্ঘদিন বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন উভয় ধর্মের মানুষ।

Advertisement

পুরান বাজার জামে মসজিদের ইমাম মহম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ‌”ঐতিহ্যবাহী পুরান বাজার মসজিদের পাশেই একসঙ্গে দু’টি প্রতিষ্ঠান। মসজিদের আগে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবুও এখানে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ স্বাধীনভাবে ঘুরতে আসে। আমরা তাদের সব কাজে সহযোগিতা করি। তারাও আমাদের সহযোগিতা করেন। নামাজের সময় মন্দিরের ঢাক-ঢোল বন্ধ রাখা হয়। কোনও বিশৃঙ্খলা ছাড়াই যুগ যুগ ধরে চলছে এ সম্প্রীতির বন্ধন।”

কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দিরের সভাপতি ও প্রধান পুরোহিত শংকর চক্রবর্তী জানান, ১৮৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এলাকার নামকরণও করা হয় কালীবাড়ী। পরে এখানে বাজার গড়ে উঠলে বাজারের ব্যবসায়ী ও শহরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মন্দিরের পাশেই প্রতিষ্ঠা করেন পুরান বাজার জামে মসজিদ। সেই থেকে এক উঠানে চলছে দুই ধর্মের দুই উপাসনালয়ের কার্যক্রম। সামান্য বিশৃঙ্খলাও হয় না এখানে। জন্মের পর থেকে এভাবে চলতে দেখছেন তিনি। লালমনিরহাট জেলা শাসক আবু জাফর বলেন, “এখানকার মানুষ সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানে বিশ্বাস করেন। যার প্রমাণ এক উঠানে কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মন্দির ও পুরান বাজার জামে মসজিদ।”

[আরও পড়ুন: পাক মহিলা সাংবাদিকের জুতোয় ‘বাংলাদেশের পতাকা’! অবমাননার অভিযোগে শোরগোল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.