৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে ফের প্রাণহানি৷ শনিবার ঢাকার উত্তর বাড্ডা, কেরানিগঞ্জ এবং সিদ্ধিগঞ্জে মৃত্যু হল তিনজনের৷ পৃথক তিনটি ঘটনায় জখমও হয়েছেন বেশ কয়েকজন৷ স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁদের৷ পুলিশ অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে৷ এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি৷

[ আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ২২টি জেলা বন্যাপ্লাবিত, ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ লক্ষ মানুষ]

উত্তর বাড্ডায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসা পাশাপাশি অবস্থিত। শনিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ তিনজন বোরখা পরিহিত মহিলা ওই এলাকায় যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, জোর করে তাঁরা স্কুলের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। বাধার মুখে দু’জন পালিয়ে যান৷ তবে একজনকে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা৷ ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়া হয় তাঁকে৷ মারের চোটে অচৈতন্য হয়ে পড়েন মহিলা৷ তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তবে সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

এদিকে, ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী তীরবর্তী কেরানিগঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবককে বেধড়ক মারধর করা হয়৷ স্থানীয়রা জানান, এদিন সকালে ওই দুই যুবক গ্রামে ঘোরাঘুরি করছিল৷ এলাকার কচিকাঁচাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে তাঁরা। এতেই শিশুচোর বলে সন্দেহ করা হয় ওই দুই যুবককে৷ এলাকাবাসী তাদের ঘিরে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দুই যুবককে উদ্ধার করে৷ মারধরের জেরে মৃত্যু হয় একজনের৷ অপর যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় মালঞ্চ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

[ আরও পড়ুন: ‘থাকতে পারছি না কিছু করুন’, ট্রাম্পের কাছে কাতর আরজি বাংলাদেশি হিন্দু নেত্রীর]

উত্তর বাড্ডা, কেরানিগঞ্জের পাশাপাশি সিদ্ধিরগঞ্জেও গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে বছর আঠারোর এক যুবকের৷ শনিবার মিজিমজি পূর্বপাড়া পাগলাবাড়ি রোড এলাকায় একটি শিশুকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই যুবক। শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। শিশুর পরিচয় জানতে চাইলে যুবকটি সদুত্তর দিতে পারেননি৷ এরপরই ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়া হয় তাঁকে৷ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে ততক্ষণে মারা গিয়েছেন ওই যুবক৷ গণপিটুনিতে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিন্তিত প্রশাসনিক আধিকারিকরা৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং