BREAKING NEWS

২২ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  শুক্রবার ৫ জুন ২০২০ 

Advertisement

NRC আতঙ্ক, কাজ ছেড়ে ফেরার পথে বনগাঁ সীমান্ত থেকে ধৃত শতাধিক অনুপ্রবেশকারী

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: November 9, 2019 3:39 pm|    Updated: November 9, 2019 3:39 pm

An Images

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: এনআরসি আতঙ্কে চোরাইপথে বাংলাদেশে যাওয়ার পথে বিএসএফের হাতে ধরা পড়ল ১০৪ জন অনুপ্রবেশকারী। ইতিমধ্যেই তাঁদের বনগাঁ থানার হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফর আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, অধিকাংশই পেটের দায়ে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করতেন। কিন্তু এনআরসি আতঙ্ক গ্রাস করতেই একে একে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে বনগাঁ থানার ঘোনার মাঠ এলাকা থেকে চোরাইপথে বাংলাদেশ যাওয়ার পথে বিএসএফ জওয়ানদের হাতে ধরা পড়েন ১০৪ জন। বনগাঁ থানার পুলিশের তরফে শনিবার তাঁদের বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। ধৃতদের থেকে জানা গিয়েছে, অর্থ উপার্জনের জন্যই দেশ ছেড়েছিলেন অধিকাংশ। কেউ থাকতে শুরু করেছিলেন হায়দরাবাদে, কেউ বা মুম্বইয়ে। অধিকাংশই সাফাইয়ের কাজে যুক্ত ছিলেন। মহিলারা বাড়ি বাড়ি পরিচারিকার কাজ করতেন। অসমের এনআরসি তাঁদের মনে আতঙ্কের সঞ্চার করেছিল। এনআরসি হলে ভবিষ্যত কী হবে তা ভেবেই ব্যাগ গুছিয়ে দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অবৈধ পথে দালাল মারফতই বাংলাদেশ ফিরছিলেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে অনুপ্রাণিত মেয়েরা’, সংঘাতের মাঝেও মমতার প্রশংসায় রাজ্যপাল]

ধৃতদের মধ্যে একজন জানান, বাংলাদেশের চিকিৎসকদের পরামর্শ কোনও সুফল মেলেনি। তাই বহুদিন আগে স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন। কিন্তু চিকিৎসার পর কার্যত সর্বশান্ত হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সম্ভব ছিল না দেশে ফেরার, চিকিৎসাও তখনও বাকি। অগত্যা এদেশেই কাজকর্ম শুরু করেছিলেন তিনি। এদেশেই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার পাতেন তিনি। চলছিল স্ত্রীর চিকিৎসাও। কিন্তু এনআরসি আতঙ্ক থাবা বসিয়েছে তাঁর মনেও। তাই বাধ্য হয়ে দালাল মারফত দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। দেশে যাওয়ার আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়লেন পেটের দায়ে ঘর ছাড়া একশোরও বেশি বাংলাদেশের নাগরিক।

[আরও পড়ুন: সন্ধের পরই আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল, নবান্নে খোলা হল কন্ট্রোল রুম]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement