সুমন করাতি, হুগলি: পঞ্চম দফার ভোট চলাকালীন আরামবাগ লোকসভার পুরশুড়ার বালিপুর পঞ্চায়েতের এক সদস্য ও তাঁর ছেলেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ তৃণমূল নেতা ও তাঁর ছেলেকে উদ্ধার করা যায়নি। তৃণমূলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপির পালটা দাবি, তাঁদের এক কর্মীর পকেটে তৃণমূলের লোকজন বন্দুক ও বোমা রেখে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত সদস্য রমেশ বেড়া পরশুড়ার দাসপুর ২৭১ নম্বর বুথ এলাকায় ছিলেন। সেই সময় কয়েকজন তাঁর উপর চড়াও হন। মারধর করতে থাকে রমেশকে। তাঁর ছেলে তন্ময় বেড়া বাঁচাতে যান। বাবা, ছেলেকে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। তৃণমূলের তরফ থেকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: লকেটের ‘চোরে’র পালটা অসীমার ‘ডাকাত’, ধনেখালিতে ধুন্ধুমার]
স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা বলেন, “রমেশ এলাকার বুথ দেখভালের দ্বায়িতে ছিলেন। তবে তিনি বুথ এজেন্ট নন। ১০০ মিটারের বাইরেও ছিলেন তিনি। দাসপুর ২৭১ বুথের সামনে থেকে তাঁকে বিজেপির (BJP) দুষ্কৃতীরা তুলে নিয়ে যায়। ওঁর ছেলে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও মারধর করে গাড়িতে তুলে নেয়। এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। আমরা পুলিশকে জানিয়েছি ।”
বিজেপির (BJP) পালটা দাবি করেছে, সুরজিৎ দাস নামের এক বিজেপি কর্মীকে তৃণমূলের মস্তান বাহিনী তুলে নিয়ে যায়। মিথ্যা অভিযোগে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তাঁকে বলে দাবি করেছে বিজেপি। স্থানীয় এক বিজেপি নেতা বলেন, “সুরজিৎকে মারধর করে হাতে বন্দুক ও বোমা ধরিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয় তৃণমূলের মস্তান বাহিনী। পুলিশ গ্রেপ্তারের কথা বলেনি। আমরা এখনও জানি না তিনি কোথায়। তৃণমূল নেতাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কোনও খবর আমার কাছে নেই।”
[আরও পড়ুন: শ্লীলতাহানিতে ‘অভিযুক্ত’ জওয়ানকে ভোটের দায়িত্ব থেকে সরাল নির্বাচন কমিশন, দায়ের FIR]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!