Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
2024 Lok Sabha Election

তিন দিনে দ্বিতীয়বার, ফের লকেটের নামে নিখোঁজ পোস্টার পাণ্ডুয়ায়

পাণ্ডুয়ার খন্যান চৌমাথা এলাকায় দ্বিতীয়বার নিখোঁজ পোস্টার পড়ে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৪, ২১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৪, ২১:৩৫

options
link
তিন দিনে দ্বিতীয়বার, ফের লকেটের নামে নিখোঁজ পোস্টার পাণ্ডুয়ায় zoom

সুমন করাতি, হুগলি: ২০ মে হুগলি লোকসভায় নির্বাচন। বাকি মাত্র চার দিন। এই আবহে ফের হুগলির বিজেপির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নামে পড়ল নিখোঁজ পোস্টার। তিন দিনের ব্যবধানে দুবার পোস্টার পড়ল তাঁর নামে। পোস্টারে লেখা, “নিখোঁজ লকেট চ্যাটাজী …খোঁজ মিলল ভোটে”। পাণ্ডুয়া ব্লকের খন্যান চৌমাথা এলাকায় বিজেপির যুব মোর্চার নাম লেখা এই পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে এলাকা। বিজেপির দাবি, সাংসদের কাজে তৃণমূলের হিংসা হচ্ছে। তাই তাঁরা এইগুলো করছে। তৃণমূলের পালটা তাঁরা এসব করে না।

ভোটের মধ্যে কখনও পান্ডুয়া, কখনও চন্দননগরের নানা জায়গায় বিদায়ী সাংসদ লকেটের নামে নিখোঁজ পোস্টার পড়তে দেখা গিয়েছে। রবিবার হুগলিতে প্রধানমন্ত্রীর সভার পর চুঁচুড়া স্টেশন রোড, ফার্ম সাইড রোডে নিঁখোজ পোস্টার পড়ে। সেখানে লেখা ছিল ‘সন্ধান চাই, লকেট মানে পালাই, জানে হুগলি জানে সবাই’। ঘটনার তিনদিন যেতে না যেতেই ফের লকেটের নামে নিখোঁজ পোস্টার। এবার খন্যান চৌমাথা এলাকায়। যেখানে যুব মোর্চার নাম করে লেখা, “নিখোঁজ লকেট চ্যাটাজী …খোঁজ মিলল ভোটে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিদির মুখে, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ফুলঝুড়ি ফোটে, শান্ত এলাকাতে অশান্ত করতে নেই তার জুড়ি, আসলে সে মানুষ নয় মিছরির ছুরি।” এছাড়া এই পোস্টারে আরও লেখা, “দিদি আপনার কাছে আমাদের আবেদন, দয়া করে আমাদের শান্ত এলাকাকে অশান্ত করে তুলবেন না। আমরা দলেরই একনিষ্ঠ কর্মী। আমাদের দল থেকে তাড়াবেন না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: এলোপাথাড়ি মার, বালি পাচার রুখতে গিয়ে মাথা ফাটল BLRO-সহ ২ সরকারি কর্মীর]

পোস্টার তৃণমূলের কর্মীরা দিয়েছেন বলে দাবি করে পাণ্ডুয়ার বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি রূপম ঘোষের। তিনি বলেন, “ভোটের মুখে এগুলো তৃণমূলের কাজ। কারণ, দিদি (লকেট চট্টোপাধ্যায়) সাংসদ থাকাকালীন যা কাজ করেছে তাতেই তৃণমূলের হিংসা হচ্ছে।” তবে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, বিজেপি দলীয়ভাবে ‘পোস্টার বির্তক’ তৃণমূলের কাজ বলে দাবি বললেও দলের অন্দরে, লকেটকে নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। কয়েকদিন আগে হুগলির দলীয় কার্যালয়ে বিজেপির ‘অন্তর্দ্বন্দ্বে’র একটি ভিডিও ভাইরালও হয়। যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হয় পদ্মশিবিরকে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে পোস্টার দেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ বলেন, “এটা বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। তাদের দলের বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের মধ্যে মারপিট হয়। তারই প্রতিফলন এই পোস্টার। তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের কাজ করে না।”

[আরও পড়ুন: ৩৫ থেকে সোজা ২৪, চার দফার নির্বাচনের পর ফের বাংলার টার্গেট কমালেন শাহ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.