BREAKING NEWS

২৬ চৈত্র  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে রাজ্যপাল, নির্বিঘ্নেই শেষ হল অনুষ্ঠান

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: February 25, 2020 3:02 pm|    Updated: February 25, 2020 3:02 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উলটপুরাণ ঘটল পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তথা বারাসত ইউনিভার্সিটিতে। এই প্রথম কোনও রকম অশান্তি ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে শামিল হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখার সময় আশ্বাস দিয়ে বললেন, রাজ্য-রাজ্যপালের দ্বন্দ্বের যে প্রভার পড়ছে শিক্ষাঙ্গনে তা তিনি মেটানোর চেষ্টা করবেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পরই রাজ্যকে প্রায় অন্ধকারে রেখে শিলিগুড়িতে জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। সেই থেকে রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাতের সূত্রপাত। তারপর থেকে কখনও শিক্ষা, কখনও স্বাস্থ্য আবার কখনও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন রাজ্যপাল। দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেড়েছে। তৈরি হয়েছে দূরত্ব। শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্যপালের ‘অতি সক্রিয়তাকে’ ধামাচাপা দিতে রাজ্য বিধানসভায় আচার্যের ক্ষমতা খর্বের বিলও পাশ করা হয়। তারপরও রাজ্যের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যপাল।

কিন্তু কোনও কারণ উল্লেখ না করে উপাচার্যদের অনুপস্থিতির জেরে বানচাল হয়ে গিয়েছে বৈঠক। যাদবপুর, কলকাতা এবং কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণ পত্রেও নাম ছিল না ধনকড়ের। যা নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে হাজির হয়ে ক্ষোভের মুখে পিছুও হটতে হয়েছিল তাঁকে। এই অশান্তির আবহেই কিছুদিন আগে রাজ্যপালের ডাকে সাড়া দিয়ে রাজভবনে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে বৈঠকও করেন দু’জনে। ওই বৈঠকের পর বেজায় খুশি রাজ্যপাল।

[আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের জেরে সকাল থেকে বৃষ্টি, দার্জিলিংয়ে শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস]

এরপর কিছুদিন আগেই টুইট করে রাজ্যপাল জানিয়েছেন ২৫ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেবেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতোই এক্ষেত্রেও অশান্তির আঁচ করেছিলেন অনেকেই। তবে দায়িত্বগ্রহণের পর এই প্রথম নির্বিঘ্নে সমাবর্তনে অংশ নিলেন জগদীপ ধনকড়। জানালেন, তাঁর ও রাজ্য সরকারের মধ্যে যাবতীয় সংঘাতের প্রভাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর পড়ছে। তাই তিনি সেই দ্বন্দ্ব মেটানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন এবং করবেন। এদিনের অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল আরও বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গে এখন সেই সময় এসেছে যখন এখানকার মানুষদেরও বুঝতে হবে কারও কোনও বিরুদ্ধ মত থাকলে সেই মতের ক্ষেত্রেও সৌজন্য দেখানো উচিত।

Advertisement

Advertisement

Advertisement