শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: প্রার্থী ও কংগ্রসে ও সিপিএম নেতা-সহ ৭ জনকে অপহরণের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁদের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনাকে করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায়। যদিও দীর্ঘক্ষণ পর উদ্ধার হন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁদের নিয়েই থানায় যাওয়ার কথা ছিল সিপিএম ও কংগ্রেসের নেতাদের। ছিলেন দাপুটে কংগ্রেস নেতা তথা ব্লক সভাপতি অশোক রায়, সিপিএম নেতা বিদ্যুৎবরণ তরফদারও। অভিযোগ, চোপড়ার হাতিঘিসা এলাকায় পাঁচটি গাড়ি তাঁদের পথ আটকায়। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়িতে। এরপর থেকেই বেপাত্তা অশোক রায়, বিদ্য়ুৎবরণ তরফদার-সহ ৭ জন। দীর্ঘক্ষণ তাঁদের কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। দলের কর্মীদের অভিযোগ ছিল ঘটনার নেপথ্য তৃণমূল। অবশেষে সন্ধে সাড়ে ৬ টা নাগাদ নিখোঁজ ৭ জনকে উদ্ধার করে দলেরই কর্মীরা। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।
[আরও পড়ুন: দিনের পর দিন হয়নি রাস্তা সংস্কার, প্রতিবাদে ভোট বয়কটের ডাক স্থানীয়দের]
ঠিক কী ঘটেছিল? অশোক রায় জানান, এদিন প্রথমে তাঁর গাড়ি ঘিরে ফেলে একদল। এরপর তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় রামগঞ্জ এলাকার একটি প্রাথমিক স্কুলে। দীর্ঘক্ষণ তাঁদের সেখানে আটকে রাখা হয়। পরে নিয়ে যাওয়া হয় সুজালি এলাকায়। সেখানে অন্ধকার একটি বাড়িতে আটকে রেখে তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তবে কোনওরকমে দলের কর্মীরা টের পেয়ে তাঁদের উদ্ধার করে ভরতি করে হাসপাতালে।
[আরও পড়ুন: ‘আধাসেনার কী দরকার?’, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে উলটো সুর ঝাড়গ্রামের বিজেপি সাংসদের]
সর্বশেষ খবর
-
দোকানে মাংস কেটে দিন গুজরান, তৃণমূল আমলে কোটি টাকার সম্পত্তি! রকেটের গতিতে উত্থান নাসিরের
-
‘ডিভোর্সের আগে জন্মদিনে দেবশ্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম…’, কোন ‘অভিমান’-এর কথা বললেন প্রসেনজিৎ?
-
নিউ আলিপুর থানার সামনে উত্তেজনা, স্বরূপ অনুগামীদের মার ক্রুদ্ধ জনতার, নামল বাহিনী
-
বৈভবকে নিয়ে আলোচনা বিলেতেও, অন্য দুই দেশের টেস্টেও উঠল ভারতীয় দলে নেওয়ার দাবি
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত