Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Arambag

স্কুলে চরছে ছাগল, বারান্দায় শুকোচ্ছে কাপড়! তৃণমূলের ‘দুর্নীতি’তে বন্ধ আরামবাগের ৮টি জুনিয়র স্কুল

স্কুলগুলিতে পড়ুয়ার সংখ্যা শূন্যতে নেমে এসেছে। ফলে গেটে পড়েছে তালা। আরও বেশকিছু স্কুলও শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পড়ুয়ার অভাবে ধুঁকছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সেগুলিও বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১৪:৫২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২৬, ১৪:৫২

options
link
স্কুলে চরছে ছাগল, বারান্দায় শুকোচ্ছে কাপড়! তৃণমূলের ‘দুর্নীতি’তে বন্ধ আরামবাগের ৮টি জুনিয়র স্কুল zoom
স্কুলে চড়ছে ছাগল। নিজস্ব চিত্র।
Advertisement

স্কুলে চরছে ছাগল। ফাঁকা বারান্দায় শুকোচ্ছে জামা-কাপড়। বন্ধ দরজার সামনে খড়ের গাদা।পডুয়াদের আওয়াজে যে ভবনগুলি ভরে থাকত। সেখানে আজ শূন্যতা। আরামবাগ (Arambag), খানাকুল, গোঘাটের ৮টি জুনিয়র হাইস্কুলের কমবেশি একই চিত্র। শিক্ষিক-শিক্ষিকার অভাবে বাচ্চাদের পাঠান না অভিভাবকরা। ফলে স্কুলগুলিতে বন্ধ পঠনপাঠন।। অভিযোগ, তৃণমূল আমলে নিয়োগে দুর্নীতির ফলে শিক্ষক নিয়োগে ভাটা এসেছে। তার জেরে স্কুলগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল শিক্ষা ব্যবস্থাকে শেষ করে দিয়ে গিয়েছে। বর্তমান সরকার শিক্ষক নিয়োগ করছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে।

আরামবাগের চুনাইট জুনিয়র হাইস্কুল, নারায়ণপুর জুনিয়র হাইস্কুল, গোঘাটের পাণ্ডুগ্রাম বেনেপুকুর শিবতলা জুনিয়র হাইস্কুল, খানাকুলের শশাপোতা হরিজন নিঃ বুঃ বিদ্যালয়, বামনখানা বিবেকানন্দ জুনিয়র হাইস্কুল ,জগৎপুর জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল , রাংতাখালি জুনিয়র হাইস্কুল, মাদারিচক জুনিয়র হাইস্কুল। মোট আটটি জুনিয়র হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন হয়। স্কুলগুলিতে পড়ুয়ার সংখ্যা শূন্যতে নেমে এসেছে। ফলে গেটে পড়েছে তালা। আরও বেশকিছু স্কুলও শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পড়ুয়ার অভাবে ধুঁকছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সেগুলিও বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গোঘাটের স্থানীয় বাসিন্দা সুজয় রায় বলেন, “স্কুলের পরিকাঠামো রয়েছে। কিন্তু শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই। ফলে পড়ুয়ারা ওই স্কুলে যায় না। ফলে স্কুল বন্ধ। দূরের স্কুলে পাঠাতে হচ্ছে বাচ্চাদের।” খানাকুলের বাসিন্দা বাঁশরী মোহিনী সূর বলেন, “শিক্ষিকার অভাবে স্কুল বন্ধ। আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। দূরের কোনও দামি স্কুলে বাচ্চাদের পড়াতে পারব না। গ্রামে স্কুল থাকলে সুবিধা। চাই দ্রুত স্কুলগুলি শুরু হোক। আরামবাগের বিধায়ক হেমন্ত বাগ অভিযোগের সুরে জানান, “তৃণমূল সরকার শিক্ষা ব্যবস্থা পুরো শেষ করে দিয়ে গিয়েছে। তার উদাহরণ আমাদের সামনে রয়েছে। আরামবাগ বিধানসভায় ২টি জুনিয়র স্কুল পুরোপুরি বন্ধ। খানাকুল, গোঘাট বিধানসভা মিলিয়ে আরও ৬টা। মোট ৮টি জুনিয়র স্কুল বিগত সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ওরা কাটমানি ছাড়া কিছু বুঝত না। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন শিক্ষক নিয়োগ হবে। নিয়োগ হলে দ্রুত স্কুলগুলি শুরু হবে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.