Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Barun Biswas Murder Case

‘ছেলে যেন বিচার পায়’, বরুণ বিশ্বাস ‘খুনে’ সাক্ষ্য ৯২ বছরের বাবার, এজলাসেই অঝোরে কান্না

প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস খুনের মামলায় সাক্ষ্য দিলেন ৯২ বছরের বৃদ্ধ বাবা। আদালতের এজলাসে ছেলের 'খুনে'র বিচার চেয়ে হাউহাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অশীতিপর বৃদ্ধ।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৭:৫৪

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৭:৫৪

options
link
‘ছেলে যেন বিচার পায়’, বরুণ বিশ্বাস ‘খুনে’ সাক্ষ্য ৯২ বছরের বাবার, এজলাসেই অঝোরে কান্না zoom
এজলাসেই অঝোরে কান্না বাবার।
Advertisement

প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস খুনের মামলায় সাক্ষ্য দিলেন ৯২ বছরের বৃদ্ধ বাবা। আদালতের এজলাসে ছেলের ‘খুনে’র বিচার চেয়ে হাউহাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অশীতিপর বৃদ্ধ। আজ, সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ ট্র্যাক-১ আদালতে বিচারক দুর্গাশঙ্কর রানার এজলাসে ওই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হন বৃদ্ধ জগদীশ রায়।

২০১২ সালের ৫ জুলাই প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস খুন হয়েছিলেন। মাঝে পেরিয়ে গিয়েছে ১৪টা বছর। এখনও বরুণ বিশ্বাস খুনে ‘সঠিক’ বিচার হল না বলে অভিযোগ। ১৪ বছর তদন্তের নামে প্রহসন! এমনই অভিযোগ তুলে বরুণ বিশ্বাসের পরিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন। সেই সাক্ষাতের পর ওই মামলার সরকারি আইনজীবী বদল হয়েছে। বাম জমানায় উত্তর ২৪ পরগনার ‘সুটিয়া গণধর্ষণ কাণ্ড’ রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। আদালতে চলে মামলা। সেই মামলার অন্যতম সাক্ষী ছিলেন কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন (মেন) স্কুলের বাংলার শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। স্কুল থেকে ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে তিনি গুলিতে ‘খুন’ হয়েছিলেন। তৃণমূল জমানায় এই প্রতিবাদী শিক্ষকের মৃত্যু নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা বাংলাকে।

Advertisement

বনগাঁ আদালতে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এদিন বরুণের বাবাকে আদালতে নিয়ে যায় তাঁর পরিবার। উপস্থিত ছিলেন বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস, দিদি ও অন্যান্যরা।বাবা জগদীশ বিশ্বাস এই মামলার ৩৮ তম সাক্ষী। সাক্ষ্য দেওয়ার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে কেঁদে ফেলেন বৃদ্ধ জগদীশবাবু। তাঁর অভিযোগ, ঘটনার পর তৎকালীন পুলিশ ও তদন্তকারী সিআইডি আধিকারিক তাঁকে কোনও সহযোগিতা করেনি। এমনকী তাঁকে নিজের কথা বলতেও দেওয়া হয়নি! এমনই অভিযোগ এদিন আদালতে করেছেন বৃদ্ধ। “ছেলে যেন বিচার পায়।” এদিন আদালতের কাছে এই আবেদন করেছেন বৃদ্ধ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.