Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
আত্মহত্যা

পণের টাকা দিতে পারেনি বাপের বাড়ি, গঞ্জনা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী বধূ

নির্মম ঘটনার সাক্ষী উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের দালালাবাদ৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৯, ২১:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৯, ২১:২১

options
link
পণের টাকা দিতে পারেনি বাপের বাড়ি, গঞ্জনা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী বধূ zoom

নবেন্দু ঘোষ, বসিরহাট: পণ হিসাবে বাইকের টাকা দিতে পারেনি বাপের বাড়ির লোকজন৷ তাই প্রায়ই শুনতে হত গঞ্জনা৷ সহ্য করতে হত মারধরও৷ তবে শুক্রবার অত্যাচার আর সহ্য করতে পারেননি তিনি৷ তাই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন এক গৃহবধূ৷ নির্মম ঘটনার সাক্ষী উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের দালাবাদ৷ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

[আরও পড়ুন: বিনা অনুমতিতে হিন্দু সংহতির কর্মসূচিতে ছবি ও নাম ব্যবহার, ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা]

বছর দেড়েক আগে হিঙ্গলগঞ্জ থানার দালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা ফতেমার সঙ্গে বিয়ে হয় রবিউল গাজির৷ মেয়ের বিয়েতে যৌতুক দিয়েছিলেন। ফতেমার বাপের বাড়ির দাবি, বিয়েতে যা দেওয়া হয়েছিল তাতে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকেদের মন ভরেনি। তাই বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে ফতেমাকে অত্যাচার করা হত৷ অভিযোগ, রবিউল ও তার বাবা-মা প্রায়ই পণ হিসাবে নানা সামগ্রী চাইত৷ ফতেমাকে দিনকয়েক আগে বাপেরবাড়ি থেকে বাইক কেনার টাকা আনতে বলা হয় বলেও অভিযোগ৷ তবে তাঁর বাপের বাড়ির লোকজন টাকা দিতে পারবে না বলেই জানিয়ে দেয়৷ সেই শেষবার বাবা-মার সঙ্গে ফোনে কথা হয় ফতেমার৷

Advertisement

[আরও পড়ুন: তৃণমূলের কার্যালয়ে বোমাবাজি, শাসক-বিরোধী সংঘর্ষে উত্তপ্ত সোদপুর]

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, গত শুক্রবার ফতেমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান৷ তাঁরাই গৃহবধূকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ তবে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে জানান৷ মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে হিঙ্গলগঞ্জ থানায় যান ফতেমার বাবা৷ পণ দিতে না পারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন তিনি৷ ফতেমার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শনিবার রাতে তার স্বামী, শ্বশুর এবং শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করে৷ রবিবার ধৃতদের বসিরহাট আদালতে তোলা হয়৷ বিচারক তাঁদের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে৷ সাত মাসের একটি সন্তানও রয়েছে ফতেমার৷ আপাতত গৃহবধূর বাবা-মার কাছেই রয়েছে সে৷ অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব মৃতার বাপের বাড়ির লোকজন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.