৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার:  মাত্র দেড়মাস আগেই ছুটি কাটিয়ে ফিরে গিয়েছিলেন কর্মস্থলে। কিন্তু বেশিদিন আর দেশসেবার সুযোগ পেলেন না। পাক সেনা সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ফের কাশ্মীর সীমান্তে হামলা চালানোয় শহিদ হলেন এ রাজ্যের এক জওয়ান। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে আলিপুরদুয়ারের কালচিনিতে।

[ আরও পড়ুন: সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি রুখতে কড়া পদক্ষেপ, উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন মহকুমা শাসক]

শহিদ জওয়ানের নাম রাজীব থাপা। বাড়ি আলিপুরদুয়ারের কালচিনির মেচপাড়া চা বাগানে। ভারতীর সেনাবাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টের জওয়ান ছিলেন বছর চৌত্রিশের রাজীব। পোস্টিং ছিল কাশ্মীরে। সেনাবাহিনী সূত্রে খবর, শুক্রবার কাকভোরে কাশ্মীরের নৌশেরা সেক্টরে জওয়ানদের লক্ষ্য নিয়ন্ত্রণরেখার ওপার থেকে গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। পালটা জবাব দেন সেনাবাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টের জওয়ানরাও। বেশ কিছুক্ষণ ধরে দু’পক্ষের মধ্যে গুলি লড়াই চলে। গোর্খা রেজিমেন্টের জওয়ান রাজীব থাপা গুলিবিদ্ধ হন ভোর সাড়ে চার সাড়ে চারটে নাগাদ। তাঁকে আর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সুযোগ মেলেনি। ঘটনাস্থলেই মারা যান ওই জওয়ান।

আলিরপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের মেচপাড়া চা বাগানে থাকেন শহিদ জওয়ানের বৃদ্ধা বাবা-মা, স্ত্রী ও মেয়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাজীব থাপার মা দীর্ঘদিন ধরেই শয্যাশায়ী। আর তাঁর মেয়ের বয়স মোটে আট মাস। মাস দেড়েক আগেই ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন রাজীব। শুক্রবার সকালে ছেলের মৃত্যুসংবাদ পান পরিবারের লোকেরা। এলাকায় শোকের ছায়া।  

উল্লেখ্য, গত ফ্রেরুয়ারি মাসে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফের কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল পাক জঙ্গিরা। প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩৯ জন জওয়ান। শহিদ হয়েছিলেন এ রাজ্যের বাবলু সাঁতরা ও সুদীপ বিশ্বাস নামে দুই জওয়ান। সেই ঘটনার পর মাস ছয়েক ঘুরতে না ঘুরতেই ফের কাশ্মীরেরই শহিদ হলেন এ রাজ্যের আরও এক জওয়ান।

[আরও পড়ুন: বিতর্ক হতেই পদক্ষেপ, মিড-ডে মিলে এবার মাছ খাওয়াবে রাজ্য]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং