অর্ণব দাস, বারাসত: পরকীয়ায় মত্ত বউমা! তাঁকে হাতেনাতে ধরতে গিয়ে বধূর প্রেমিকের ধাক্কায় মৃত্যু হল ভাসুরের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দত্তপুকুর থানার নিবাধুই এলাকায়। মৃতের নাম শওকত আলি(৬০)। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতোই বুধবার রাতে নিজের ঘরেই ঘুমাচ্ছিলেন শওকত আলির ভাই। স্ত্রী ছিলেন বারান্দায়। আনুমানিক রাত ১১টা নাগাদ যুবকের সন্দেহ হয় বারান্দায় কেউ রয়েছে। অভিযোগ, তখন তিনি দরজা খুলতে গেলে দেখেন বাইরে থেকে আটকানো। ফলে সন্দেহ আরও দৃঢ় হলে চিৎকার শুরু করেন। ভাইয়ের আওয়াজ পেয়ে ছুটে যান শওকত। তখন পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে প্রথমে খাটের নিচে ঢুকে পরে বিড়ার বাসিন্দা অর্থাৎ বধূর প্রেমিক জসিমউদ্দিন মণ্ডল। এমন অবস্থায় প্রতিবেশী পরিজনেরা ভিড় করলে খাটের নিচ থেকে বেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করে গুণধর। অভিযোগ, শওকত তাকে ধরতে গেলে সে ধাক্কা দেয়। তখনই পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে শওকতের। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বারাসত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে।
এদিকে, ঘটনার পর জড়ো হওয়া গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পরে যায় বউমার প্রেমিক। মৃতের ছেলে এনিয়ে দত্তপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে জসিমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে বারাসাত আদালতে পেশ করা হলে ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এই প্রসঙ্গে গৃহবধূর স্বামী জানান, “ওদের মধ্যে এই সম্পর্ক চলছিল আমার জানা ছিল না। রাতে আমাকে বাইরে থেকে তালা দিয়ে নোংরামি চলছিল। হাতেনাতে ধরা পড়তেই যুবক দাদাকে ধাক্কা মারে। তাতেই পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে। আমি চাই অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি।” একটি অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন
-
‘সিয়া কাছে ছিল, আমার ছেলে ধাক্কা দেয়নি’, দাবি পুণে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চেতনের বাবার
-
জুটমিলে চাকরি হারিয়ে পেটের দায়ে তারাতলায় কাজ কৃষ্ণর, ছেলের মৃত্যুতে শোকে পাথর বৃদ্ধা মা
-
‘ভুল হয়েছিল, রি-নিটে শুধরে নিয়েছি’, প্রশ্নফাঁস নিয়ে স্বীকারক্তি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর