Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
আত্মঘাতী, বীরভূম

ভাগ্নের মৃত্যুশোকে আত্মঘাতী মামি, প্রকাশ্যে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের তত্ত্ব

চাঞ্চল্য বীরভূমের মল্লারপুরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০১৯, ২০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০১৯, ২০:৩০

options
link
ভাগ্নের মৃত্যুশোকে আত্মঘাতী মামি, প্রকাশ্যে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের তত্ত্ব zoom

নন্দন দত্ত, সিউড়ি:ভাগ্নের আত্মহত্যার খবর পেয়ে আত্মঘাতী হলেন মামি।চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের মল্লারপুরের দিয়াড়া গ্রামে। অভিযোগ, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই এই ঘটনা। দেহদুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। 

[আরও পড়ুন:  তৃণমূলের হামলায় বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা, প্রচার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ইশা খান চৌধুরির]

মল্লারপুরের দিয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা পার্থ বাগদি (৩৮) ও আগমনি বাগদি (৪০)। সম্পর্কে ভাগ্নে ও মামি এই দু’জন। জানা গিয়েছে,  পার্থ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান বাজনা করতেন। আবার কখনও চাষের কাজও করতেন  তিনি।  সোমবার সকালে এলাকার একটি গাছে পার্থর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীরা। স্থানীয়রা খবর পাঠায় মল্লারপুর থানায়।  বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রহস্যজনকভাবে গলায় ফাঁস দিতে আত্মহত্যা করেন ওই ব্যক্তির মামি আগমনী বাগদি। খবর পেয়ে পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।   

Advertisement

[আরও পড়ুন: জঙ্গিপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে কান্দিতে প্রচার করলেন দেব]

স্থানীয় সূত্রে খবর,  “দীর্ঘদিন ধরেই পার্থর সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল আগমনীর। সেই কারণেই ভাগ্নের মৃত্যু শোক মেনে নিতে পারেননি ওই মহিলা। সেই কারণেই আত্মহত্যার ঘটনা।”  মৃতার স্বামী প্রশান্ত বাগদি জানান, “আমি সারাদিনই চাষের কাজে ব্যস্ত থাকি। ভাগ্নে প্রায়শই আমাদের বাড়ি আসত। কিন্তু তাদের মধ্যে অন্য কোন সম্পর্ক ছিল কি না বলতে পারব না”। পার্থর বাবা মন্মথ বাগদি বলেন, “ছেলের বিয়ে দিয়েছিলাম। মামির সঙ্গে অন্য কোন সম্পর্ক ছিল বলে আমাদের জানা নেই।”  তবে কেন আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিলেন পার্থ?  কেনই বা আত্মঘাতী হলেন আগমনী? এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মনে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে মৃতের পরিবার ও স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। 

ছবি:  সুশান্ত পাল

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.