১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অরূপ বসাক, মালবাজার: ফের ছেলেধরা সন্দেহে এক ব্যক্তির মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। সোমবার সকালে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ডুয়ার্সের নাগরাকাটার সুখানি বসতি সংলগ্ন এলাকায়। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এসডিপিও।

[আরও পড়ুন: পরকীয়ার বলি, আরামবাগে স্বামীকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারল স্ত্রী!]

জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকায় বহুরূপী সেজে ঘুরে বেড়াতেন বছর ৪৫-এর ওই ব্যক্তি। ভবঘুরে হওয়ায় সকালে এলাকায় ঘুরে ভিক্ষে করতেন তিনি। রাতে যে এলাকায় পৌঁছাতেন, সেখানকার যে কোনও একটি স্কুলেই থেকে যেতেন।সোমবার সকালে ভিক্ষে করতে করতেই নাগরাকাটার সুখানি বস্তিতে পৌঁছান ওই ব্যক্তি। স্বাভাবিকভাবেই অপরিচিত হওয়ায় সকলের মনেই প্রশ্ন জাগে তাঁকে নিয়ে। সন্দেহের বশেই তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের আচরণ বুঝতে পেরেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ওই ব্যক্তি। আচমকা হোঁচট খেয়ে সুখানি বসতি সংলগ্ন রেললাইনে পড়ে যান ওই বহুরূপী। এরপরই স্থানীয়রা তাঁর উপর চড়াও হয়। বেধড়ক মারধরের পর পাথর দিয়ে ব্যক্তির মাথায় আঘাত করে উত্তেজিত জনতা। এতেই ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠায়।

[আরও পড়ুন: একুশের সমাবেশে গরহাজির, গ্রামবাসীদের বেধড়ক ‘মার’ তৃণমূল নেতাদের]

প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকায় ছেলেধরা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না চলে যায় সেই কারণে পুলিশ ও প্রশাসনের তরফে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সচেতনতা বাড়াতে মাইকিংও করা হয়েছিল বিভিন্ন এলাকায়। কিন্তু তা যে মানুষের মনে কোনও প্রভাবই ফেলেনি, তা প্রমাণিত হল এদিনের ঘটনায়। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে এসডিপিও আশ্বাস দিয়েছেন, অবিলম্বে শাস্তি পাবেন অভিযুক্তরা। প্রসঙ্গত, রবিবার রাত ও সোমবার ভোরে চোরসন্দেহে মারধর করা ২ জনকে মারধরের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল আলিপুরদুয়ার। তার কিছুক্ষণের ব্যবধানে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ডুয়ার্সে। এখানেই প্রশ্ন, তবে কি ফাঁক থেকে যাচ্ছে প্রচারেই?       

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং