Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
A man committed suicide in Kalna

স্ত্রীর সামনেই শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বেধড়ক মার, অপমানে আত্মঘাতী যুবক

পুত্রবধূর বাপের বাড়ির দুর্ব্যবহারে ক্ষোভে ফুঁসছেন সদ্য সন্তানহারা বাবা। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২২, ২১:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২২, ২১:১২

options
link
স্ত্রীর সামনেই শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বেধড়ক মার, অপমানে আত্মঘাতী যুবক zoom
ছবি : প্রতীকী

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: দাম্পত্য অশান্তি চলছিলই। তার মাঝে স্ত্রীর সামনেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন বেধড়ক মারধর করে। অপমানিত বোধ করেন যুবক। শেষ পর্যন্ত গলায় দড়ি দিয়ে নিজেই নিজের জীবন শেষ করে দেন। কালনার উত্তর শিকারপুরের বছর সাতাশের ওই যুবকের আত্মহত্যার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই পরিবারে নেমেছে শোকের ছায়া। পুত্রবধূর বাপের বাড়ির দুর্ব্যবহারে ক্ষোভে ফুঁসছেন সদ্য সন্তানহারা বাবা। 

দু’বছর আগে কালনার কৈখালি গ্রামের বাসিন্দা হালিমা বিবির সঙ্গে উত্তর শিকারপুরের আবদুল রোহিদ মোল্লার বিয়ে হয়। যদিও বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন কারণে অশান্তি লেগে থাকত বলে অভিযোগ বধূর বাপের বাড়ির লোকজনের। তারা আরও জানায়, শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন কারণে হালিমার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করত। এই নিয়ে বেশ কয়েকবার একসঙ্গে আলোচনায়ও বসে দুই পরিবার। তবে তাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। বাধ্য হয়ে গৃহবধূকে বাপের বাড়ির লোকজন ফিরিয়ে নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে হালিমার শ্বশুরবাড়িতে আসেন তাঁর বাপের বাড়ির লোকজন। এমনই এক পরিস্থিতিতে দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘চাঁদা তুললেই বহিষ্কার’, একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি বৈঠকে কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকের]

অভিযোগ, এরপরই আবদুল রোহিদ মোল্লাকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন ব্যাপক মারধর করে। তাতে আক্রান্ত হন রোহিদের বাবা ওয়াচ মোল্লাও। মারধরের পর হালিমার বাপের বাড়ির লোকজন তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে যান। এদিকে, হালিমার স্বামী রোহিদ ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘক্ষণ তাঁর বাড়ির লোকজন ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ পাননি। এরপর বাধ্য হয়ে ঘরের দরজা ভাঙেন তাঁর পরিবারের লোকজন। দরজা খুলে অবাক হয়ে যান প্রায় সকলেই। গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায় রোহিদকে। 

মৃত যুবকের বাবা ওয়াচ আলি মোল্লা বলেন,“মাঝেমাঝেই বউমার সঙ্গে ছেলের অশান্তি হত। বউমা শুক্রবারই বাপের বাড়ি যেতে চায়। ছেলে জানায় রবিবার যাবে। এরপরেই বউমা বাপের বাড়িতে ফোন করেন। ওর আত্মীয়স্বজন বাড়িতে এসে ছেলে-সহ আমাদের ব্যাপক মারধর করে। আর এই অপমান সহ্য করতে না পেরেই ছেলে আত্মঘাতী হয়েছে।”

[আরও পড়ুন: প্রথম হিমাংশু, দ্বিতীয়ও হিমাংশু! জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেধাতালিকা দেখে হতবাক পড়ুয়া]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.