শাহজাদ হোসেন, জঙ্গিপুর: এলাকায় বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। আচমকা সেই সময় বিস্ফোরণ। তাতে প্রাণ হারাল এক ব্যক্তি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাত থেকে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির বন্যেশ্বরের বেলাই পাড়া। স্থানীয়দের দাবি, খালের জল নিয়ে বিবাদের জেরে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। যদিও তা সত্যি কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
খালের জল নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির বন্যেশ্বরের বেলাই পাড়ায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল চলছিল। দুই গোষ্ঠীর সদস্যরা লড়াইয়ের পরিকল্পনাও করছিল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে সে কারণেই এক গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজন বোমা বাঁধছিল। আচমকা সেই সময় বোমা বিস্ফোরণ হয়। প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে চতুর্দিক। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। তড়িঘড়ি বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তাঁরা দেখেন বোমা বাঁধতে গিয়ে এহেন বিপত্তি ঘটেছে। বিস্ফোরণস্থলে একজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতেও দেখেন স্থানীয়রা।
[আরও পড়ুন: তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি-গুলি, ধারালো অস্ত্রের কোপ স্বামীকে]
খবর পৌঁছয় পুলিশের কাছে। খবর পাওয়ামাত্রই বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার দেহ জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, নিহত ওই ব্যক্তি এলাকায় লেবু শেখ নামে পরিচিত। সে দীর্ঘদিন ওই এলাকাতেই বাস করে। খালের জল নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের গন্ডগোলে জড়িত ছিল লেবু শেখও। অন্য গোষ্ঠীর সদস্যদের উপর হামলা চালানোর জন্য বোমা বাঁধছিল সে। বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে এই কাণ্ড ঘটেছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় এখনও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ।
[আরও পড়ুন: রাজ্যে এক কোটিতে আক্রান্ত ১২৬ জন, বিরোধীদের পালটা দিতে তথ্য পেশ তৃণমূলের]
সর্বশেষ খবর
-
ভাড়ার অ্যাকাউন্টে দেশজুড়ে সাইবার জালিয়াতি! পার্ক স্ট্রিটের ব্যাঙ্কে ‘মিউল অ্যাকাউন্টের’ সন্ধান পেল পুলিশ
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সসম্মানে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু, হাদির নাম মুছে ফিরছে শেখ মুজিবুর রহমান হল
-
শ্রীঘরে দুই বেয়াই! দু’বছর আগে নাবালিকার বিয়ে, কোলে ৬ মাসের শিশু, খবর পেতেই ‘অ্যাকশন’ পুলিশের
-
‘হিরো, আপনিই বাঁচিয়েছেন’, ককপিটে সতীর্থের ছুরিতে রক্তাক্ত হয়েও কর্তব্যে অবিচল ভারতীয় পাইলট
-
বার্বিকিউ কাণ্ড থেকে শিক্ষা! দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কত হোমস্টে? রিপোর্ট চাইলেন মন্ত্রী