দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ফের বাঘের আতঙ্ক ছড়াল সুন্দরবন এলাকায়। কুলতলি, কুমিরমারির পর ফের এবার গোসাবা ব্লকের বালি আমলা মেথি এলাকায় হানা দিল দক্ষিণরায়। ফলে নতুন করে ছড়াল আতঙ্ক।
সোমবার রাতে বিদ্যার জঙ্গল থেকে একটি পূর্ণবয়স্ক রয়েল বেঙ্গল টাইগার ঢুকে পড়ে ওই বালি আমলা মেথি এলাকায়। জানা গিয়েছে, সেখানে ঢোকার পর তিনটি ছাগল এবং একটি গরু মারে বাঘটি। স্থানীয় বাসিন্দা হাবুল দাস নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে হানা দেয় বাঘটি! গোয়ালঘরে ঢুকে গরু এবং ছাগলগুলি মারে সে। তারপর লোকালয় সংলগ্ন এক জঙ্গলে গিয়ে আশ্রয় নেয় দক্ষিণরায়। এমন ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির ভিতরে থেকেও রয়্যাল বেঙ্গলের (Royal Bengal Tiger) হাত থেকে নিস্তার নেই, এ কথা ভেবেই শিউরে উঠছেন এলাকার বাসিন্দারা।
[আরও পড়ুন: COVID-19: রাজ্যে করোনার পজিটিভিটি রেট ৩৭% পার, চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতা-সহ এই পাঁচ জেলা]
ইতিমধ্যেই বাঘটির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছেন বনদপ্তরের কর্মীরা। এখনও পর্যন্ত তার খোঁজ পাওয়া না গেলেও ওই জঙ্গলের মধ্যেই যে সে লুকিয়ে আছে, তার অস্তিত্ব টের পেয়েছেন বনকর্মীরা। ফলে ওই এলাকা জাল দিয়ে ঘিরে ফেলার চেষ্টা চলছে। তবে সকালে কুয়াশা থাকার কারণে কিছুটা হলেও বাঘ খোঁজার কাজে ব্যাহত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বেশ কয়েকদিন ধরে বারবার সুন্দরবন (Sundarbans) এলাকায় লোকালয়ে বাঘ ঢুকে পড়াকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কুলতলি, চরগেরি, কুমিরমারির মতো গ্রামে ঢুকে পড়েছিল বাঘ। তাদের বাগে আনতে রীতিমতো কালঘাম ছোটে বনকর্মীদের। কখনও ঘুম পাড়ানি গুলি মেরে তো কখনও জাল ফেলে জঙ্গল ভিজিয়ে বাঘকে খাঁচাবন্দি করতে হয়েছে। এবার গোসাবা ব্লকের লোকজনেরা বাঘের আতঙ্কে ত্রস্ত। তাকে ধরা না গেলে যে কোনও মুহূর্তে সে ফের লোকালয়ে হানা দিতে পারে- এই আশঙ্কাতেই রাতের ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের।
[আরও পড়ুন: ‘গুলি করে খুলি ওড়াব’, বালিগঞ্জ গুলি কাণ্ডে ‘দায় স্বীকার’ করে হুমকি মাফিয়াদের, তদন্তে লালবাজার]
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যে এবার বুলেট ট্রেন, দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পৌঁছবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়, বড় আশ্বাস রেলমন্ত্রীর
-
জল্পনার অবসান! বিশ্বকাপ শুরুর পাঁচ দিন আগে ইরানকে ভিসা মঞ্জুর আমেরিকার
-
ইবোলা পরিসংখ্যানে আশার আলো কঙ্গোতে! বিপদ কাটেনি, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
-
‘রেল মানচিত্রে জুড়বে গোটা বাংলা’, নবান্নে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ শুভেন্দুর
-
উচ্ছিষ্ট ফুল থেকেই তৈরি হবে ধূপবাতি! রাজ্যের উদ্যোগে আশার আলো তারাপীঠ-সহ বীরভূমের বিভিন্ন মন্দিরে