রাজা দাস, বালুরঘাট: রাজ্যে ফের এক তৃণমূল নেতার প্রাণহানি। দুষ্কৃতী হামলায় শুক্রবার রাতে মৃত্যু হয় তাঁর। সন্তোষ দাস নামে ওই তৃণমূল নেতা শুক্রবার রাতে সাংগঠনিক বৈঠক সেরে ফিরছিলেন। গঙ্গারামপুর কালদিঘি এলাকায় তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও গ্রেপ্তার হয়নি কেউই।
[আরও পড়ুন: পিছু ছাড়ছে না এনআরসি আতঙ্ক, বাঁকুড়া ও বর্ধমানে মৃত ২]
শুক্রবার বালুরঘাটে তৃণমূলের দলীয় বৈঠক ছিল। তাতেই যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের অঞ্চল নেতা সন্তোষ দাস। ষাট বছর বয়সি ওই নেতা রাতে বালুরঘাট থেকে একাই বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, গঙ্গারামপুরের কালদিঘি এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই তৃণমূল নেতার উপর হামলা করে দুষ্কৃতীরা। অস্ত্রের ঘায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সন্তোষ দাস নামে ওই তৃণমূল নেতা। যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকেন তিনি। রাতে আর্তনাদ শুনে প্রথমে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। পরে যদিও বাড়ি থেকে দৌড়ে বাইরে বেরোন তাঁরা। আশেপাশের লোকজন ছুটে আসতেই ঘটনাস্থল ছেড়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। ততক্ষণে যদিও রাস্তায় অচৈতন্য হয়ে পড়েন সন্তোষ দাস। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করেন। গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
[আরও পড়ুন: অবশেষে রেলের ফিট সার্টিফিকেট, জট কাটিয়ে বর্ধমান রেল সেতুতে শুরু যান চলাচল]
কে বা কারা ওই তৃণমূল নেতাকে খুন করল, তা নিয়ে চলছে চাপানউতোর। পরিবারের দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি। যদিও বিজেপির তরফে এ প্রসঙ্গে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আই সি পূর্ণেন্দু কুণ্ডু বলেন, “কালদিঘি এলাকায় একটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত শুরু করেছি আমরা। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হয়েছে।”
সর্বশেষ খবর
-
এবার অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা বিজিবির! রুখল বিএসএফ
-
লাথি খেয়ে কচুবনে, বাড়ি দখলের অভিযোগে এবার ডিম খেলেন জয়প্রকাশ
-
‘চুপ থাকব না শেষ দেখে ছাড়ব’, বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় স্বামী-শ্বশুরের জোড়া আইনি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ সেলিনার
-
৩০০ টাকা রোজ মাইনের চাকুরে থেকে কোটিপতি, উল্কাগতিতে উত্থান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে ধৃত পরিতোষের
-
তোলাবাজি থেকে যৌনহেনস্তা! ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে স্বরূপ বিশ্বাস, এজলাসে তুমুল হই হট্টগোল