Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৪ জুন ২০২৬
Trinamool

২ জেলার ভোটার আসানসোলের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য! কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

কী সাফাই পঞ্চায়েত সদস্যের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ১৭:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ১৭:১৫

options
link
২ জেলার ভোটার আসানসোলের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য! কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি zoom
প্রতীকী ছবি

ধীমান রায়, কাটোয়া: বাবা পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া বিধানসভা এলাকার করুই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। মেয়ে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বারাবনি বিধানসভার রূপনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা। অথচ বাপেরবাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ি দুই এলাকাতেই ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে মেয়ের। রয়েছে পৃথক দুটি ভোটার কার্ডও। এসআইআর আবহে বিষয়টা প্রকাশ্যে আসতেই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিরোধীদল বিজেপি। কাটোয়া বিধানসভার বিজেপির ৪ নম্বর মণ্ডল সভাপতি সূর্যদেব ঘোষ বিষয়টি নির্বাচন কমিশনেও জানিয়েছেন বলে খবর।

জানা গিয়েছে কাটোয়া বিধানসভা এলাকার করুই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য শ্রীদাম দত্ত। তাঁর মেয়ে শুক্লা দত্ত তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্যা। করুই গ্রামে বাপেরবাড়ি শুক্লাদেবীর। প্রায় দশ বছর আগে তাঁর বিয়ে হয় রূপনারায়ণ এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ দত্তের সঙ্গে। বিজেপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে, কাটোয়া বিধানসভা এলাকার ২৪৩ অংশ নম্বরে ১৩৯ নম্বর সিরিয়ালের ভোটার শুক্লা দত্ত। সেখানে তাঁর ভোটারকার্ড নম্বর, TLK1112598। পাশাপাশি বারাবনি বিধানসভার ৮৫ অংশ নম্বরের ভোটার তালিকায় ৫৬ নম্বর সিরিয়ালেও নাম রয়েছে শুক্লার। ভোটারকার্ড নম্বর, NRW2090504।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সূর্যদেব ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন, “ওনার ভোটার কার্ড যদি অবৈধ হয় তাহলে উনি কিভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন?” বিজেপি নেতার কথায়, “রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে রূপনারায়ণ পুরের ভোটার হয়ে ভুয়ো তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দাখিল করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন শুক্লা দত্ত। তাই ওই পঞ্চায়েত সদস্যপদ বাতিল করার দাবি জানিয়েছি।” শুক্লা দত্তের কথায়, “দশবছর আগে বিয়ের পর থেকে আমি বাপেরবাড়িতে ভোট দিতে কখনও যাইনি। বাবা আমাকে বলেছিলেন কাটোয়ায় ভোটার তালিকায় নাম কাটানোর জন্য আবেদন করা হয়ে গিয়েছে। এখনও সেখানে নাম আছে জানতামই না। আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন রাখছি যাতে বাপরবাড়ি এলাকার ভোটার তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দেওয়া হয়‌।” শুক্লাদেবীর বাবা শ্রীদাম দত্তের দাবি, “মেয়ের বিয়ের কিছুদিন পরেই আমি ৭ নম্বর ফর্ম পূরণ করে এখানে মেয়ের নাম বাদ দেওয়ার জন্য তৎকালীন বি এল ওর মাধ্যমে ফর্ম জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও নাম বাদ যায়নি তা জানতাম না। নাম কাটানোর দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.