Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
খুন

উপার্জন বন্ধ থাকায় নিত্য অশান্তি সংসারে, রাগের বশে স্ত্রীকে খুন করে পুঁতে দিল স্বামী

ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২০, ১২:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২০, ১২:৫৭

options
link
উপার্জন বন্ধ থাকায় নিত্য অশান্তি সংসারে, রাগের বশে স্ত্রীকে খুন করে পুঁতে দিল স্বামী zoom
প্রতীকি ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে চরম অর্থাভাব দেখা দিয়েছিল সংসারে। যার ফলে স্ত্রীর সঙ্গে নিত্য অশান্তি লেগেই ছিল। সেই ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে স্ত্রীকে খুন করে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নিউ দিঘার রতনপুর এলাকায়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম সাবির শেখ। আদতে নদিয়ার বাসিন্দা ওই অভিযুক্ত বহু বছর আগে প্রথম স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে দিঘায় চলে আসে। অর্থ উপার্জনের জন্য শুরু করেন রিকশা চালানো। সেই সময়ই মৃত শাকিনা বিবির সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এরপর ধীরে ধীরে প্রণয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে তারা। বিয়ে করে শুরু করে সংসার জীবন। দুই সন্তানও রয়েছে ওই দম্পতির। এপর্যন্ত সবটা স্বাভাবিক থাকলেও লকডাউনেই অশান্তি বাঁধে সাবির ও শাকিনার মধ্যে। কারণ, চরম অর্থাভাব।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আমফানে জাল ছিঁড়েছে, সুন্দরবনে বাঘ আটকাতে ঘুমপাড়ানি বন্দুক নিয়ে রাত জাগছেন বনরক্ষীরা]

এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার নিজেই থানায় হাজির হয় সাবির। জানায় যে, খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তার স্ত্রীকে। পুলিশ সাবিরকেই বলে এলাকায় খুঁজতে। বিষয়টি জানাজানি হতে প্রতিবেশীরা খোঁজ শুরু করেন শাকিনার। সেই সময়ই নিউ দিঘার সায়েন্স সেন্টার থেকে কিছু দূরে বনের মধ্যে শাকিনার ওড়না দেখেন তাঁরা। এরপর খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে খুঁড়ে উদ্ধার করে শাকিনার দেহ। এরপরই গ্রেপ্তার করা হয় সাবিরকে। পুলিশের দাবি, ইতিমধ্যেই জেরায় স্ত্র্রীকে খুনের কথা স্বীকার করেছে ধৃত।

[আরও পড়ুন: ঝাড়গ্রামের জমিতে তাণ্ডব চালাচ্ছে বিশেষ প্রজাতির পঙ্গপাল, বনদপ্তরের তথ্যে বাড়ছে আতঙ্ক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.