Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
লটারি

অবশেষে স্বপ্নপূরণ দিনমজুরের, লটারি কেটে রাতারাতি কোটিপতি মুর্শিদাবাদের যুবক

লটারি জিতেছেন বুঝতে পেরে আতঙ্কে থানায় ছুটে যান ওই যুবক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২০, ২০:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২০, ২০:৫৭

options
link
অবশেষে স্বপ্নপূরণ দিনমজুরের, লটারি কেটে রাতারাতি কোটিপতি মুর্শিদাবাদের যুবক zoom
Advertisement

চন্দ্রজিৎ মজুমদার, কান্দি: বিত্তশালী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন তিনিও। প্রায়শই লটারির টিকিট কেনার পর ভাবতেই এবার হয়তো বিপুল অংকের টাকা হাতে আসবে। আশাপূরণ না হলেও নিরাশ হয়ে টিকিট কাটার নেশা ছাড়তে পারেননি কোনওদিনই।  রবিবার তারই ফলই পেলেন পেশায় দিনমজুর মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামের বিকাশ মাল। লটারি কেটে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেলেন তিনি।

শনিবার বিয়েবাড়ি উপলক্ষে মারগ্রামে শ্বশুর বাড়িতে গিয়েছিলেন বিকাশ। রবিবার সকালে সেখান থেকে ফেরার পথে একটি দোকান থেকে ৬০ টাকার লটারির টিকিট কেনেন। বিকেলে মোবাইলে রেজাল্ট মেলাতে গিয়েই চক্ষুচড়কগাছ। একে একে মিলে যায় টিকিটের সবকটি নম্বর। এরপর কাউকে কিছু না জানিয়ে সটান মারগ্রাম থানায় হাজির হন তিনি। পুলিশ আধিকারিককে বলেন, “বড়বাবু আমাকে বাঁচান। আমি লটারিতে প্রথম পুরস্কার এক কোটি টাকা জিতেছি।” গোটা বিষয়টি জানার পরই বিকাশকে আইনি সাহায্যের আশ্বাস দেন ওই পুলিশ আধিকারিক। কিন্তু দিন আনি দিন খাই সংসারে এতটাকা দিয়ে কি করবেন বিকাশ? তিনি জানান, লটারিতে পাওয়ায় এই টাকা দিয়ে বাবা-মায়ের চিকিৎসা করাবেন। ছেলে-মেয়েকে মানুষের মতো মানুষ করবেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে মাকে কুপিয়ে খুন, পুলিশের জালে প্রৌঢ়]

পরিবারের লোকেরা এই অর্থলাভের খবর পেতেই আনন্দের জোয়ারে ভেসেছেন। বিকাশের বাবা তমাল বাবু বলেন, অভাবের সংসারে এমন উপহার কোনওদিনও পাব ভাবিনি। এবার হয়তো কষ্ট লাঘব হবে, সেটাই আশা তমাল বাবুর। সংসারের অভাব ঘুচবে ভেবেই মুখে হাসি ফুটেছে বিকাশের স্ত্রীরও।

[আরও পড়ুন: হিংসা বিধ্বস্ত দিল্লিতে সম্প্রীতির ছবি, মউজপুরে রামের নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলার মনিরুল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.