Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

সাড়ে ৪ ফুটের কষ্টিপাথরের মূর্তি, ১০০ ভরির গয়না, বড়মার নতুন মন্দিরের উদ্বোধন করবেন অভিষেক

২৯ অক্টোবর হবে উদ্বোধন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২৩, ২০:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২৩, ২০:৪৪

options
link
সাড়ে ৪ ফুটের কষ্টিপাথরের মূর্তি, ১০০ ভরির গয়না, বড়মার নতুন মন্দিরের উদ্বোধন করবেন অভিষেক zoom
Advertisement

অর্ণব দাস, বারাকপুর: শতবর্ষ উপলক্ষে নৈহাটিতে তৈরি হচ্ছে বড়মার নতুন মন্দির। সেই মন্দিরের জন্য তৈরি হয়েছে কষ্টিপাথরের সাড়ে চার ফুটের বড়মার মূর্তি। ১০০ ভরি সোনার অলংকারে সাজিয়ে এই প্রতিমাকে প্রতিষ্ঠা করা হবে মন্দিরে। ২৯ অক্টোবর মন্দিরের উদ্বোধন করবেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

রাজস্থানের শিল্পী ধর্মেন্দ্র সাউ প্রায় তিনমাস ধরে নৈহাটিতে কষ্টি পাথরের বড়মার মূর্তি তৈরি করেছেন। এই প্রতিমা নবনির্মিত মন্দিরে নিয়ে আসা হবে চলতি মাসের ২৫ তারিখ। প্রায় তিনকেজি ওজনের রুপোর ঘট বসছে পুজোর জন্য। মায়ের নিচে শায়িত থাকবে শিবের মুকুট, ত্রিশূল, পাদুকা-সহ অন্যান্য সাজ। ২৬ অক্টোবর শুরু হবে মূর্তি প্রতিষ্ঠার পুজো। ১২ জন ব্রাহ্মণ এই প্রতিষ্ঠা পুজো করবেন। বারানসী থেকে আসছেন ব্রাহ্মণরা। ৫০ কেজি বেল কাঠ দিয়ে হবে যজ্ঞ। চলবে গীতাপাঠ, চণ্ডীপাঠ এবং রুদ্রপাঠ। পর পর তিনদিন পুজোর শেষে ২৮ তারিখ লক্ষ্মীপুজোর দিন বড়মার মূর্তি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর ভোগ নিবেদন করা হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাবার মৃত্যুর মাস চারেক পরেই শৌচালয় থেকে মায়ের বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার, পুলিশের নজরে ছেলে]

২৯ অক্টোবর সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বার উদঘাটন করার পর ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দিরটি। মন্দির নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ। মন্দিরের নিচতলায় বড়মায়ের পাশাপাশি বসছে রাধা-কৃষ্ণের মূর্তি। দোতলায় থাকছে কমবেশি ৩০০ জনের ভোগ খাওয়ার মতো জায়গা। তিনতলা এবং চারতলায় তৈরি হচ্ছে অতিথি নিবাস এবং বৃদ্ধাশ্রম। তবে কালিপুজোর সময় যেভাবে বাইশ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট ঘন কৃষ্ণবর্ণ বড়মার প্রতিমা তৈরি করে পুজো হয় ঠিক সেভাবেই বড়মার পুজো হবে।

বড়কালী পুজো সমিতির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য বলেন, “এতদিন ধরে ভক্তরা যে সোনা দান করেছিল। তা দিয়েই বড়মার ১০০ ভরির সোনার গয়না তৈরি করা হয়েছে। ভক্তদের অনুদানের তৈরি হচ্ছে মন্দির। কাজ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে।” প্রসঙ্গত, গতবছর কালীপুজোর আগেই কমিটি ঠিক করেছিল বড়মার কষ্টিপাথরের মূর্তি তৈরি করা হবে বলে। এবিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক এবং বড়কালী পুজোর সমিতির ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি তথা নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। এর পরই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের ভক্তদের প্রায় ৮ কোটি টাকার অনুদানে শুরু হয় চারতলা মন্দির নির্মাণ-সহ কষ্টি পাথরের বড়মার মূর্তি নির্মাণের কাজ।

[আরও পড়ুন: ঘরের ছেলে পল্টু নেই ৩ বছর, তবু প্রথা মেনেই চলছে জৌলুসহীন মিরিটির দুর্গাপুজো]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.