শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: দীর্ঘদিন ধরেই কিডনির অসুখে ভুগছিলেন মুর্শিদাবাদের সুতির এক যুবক। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে প্রয়োজন অস্ত্রোপচারের। কিন্তু তাতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল অর্থ। বাধ্য হয়ে বহরমপুরের সাংসদের কাছে সাহায্যের আরজি জানিয়েছিলেন যুবক ও তাঁর পরিবার। তাতেই মিলল সুরাহা। বিষয়টি জানতে পেরেই সহযোগিতার হাত বাড়ালেন অধীররঞ্জন চৌধুরি (Adhir Ranjan Chowdhury)।
জানা গিয়েছে, সুতির আহিরণ গ্রামের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম বিপ্লব সাহা। ২০১০ সালে প্রথম তাঁর কিডনির অসুখ ধরা পড়ে। জানা যায়, বিকল হয়েছে তাঁর দুটো কিডনিই। ছেলেকে বাঁচাতে তাঁর মা তাঁকে একটি কিডনি দান করেন। তাতে কয়েকবছর ভাল কাটলেও ২০১৯-এ ফের ছন্দপতন। নষ্ট হয়ে যায় ওই কিডনিটিও। এরপর বহরমপুরের গীতারাম হাসপাতালে শুরু হয় ডায়ালিসিস। কিন্তু টানা লকডাউনে আর্থিক অনটন এতটাই তীব্র হয়েছে যে ডায়ালিসিস করানো কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়াও তাঁর সুস্থ হতে প্রয়োজন অস্ত্রোপচার। কিন্তু অর্থের জোগান নেই। কী করবেন বুঝে উঠতে না পেরেই গোটা বিষয়টি জানিয়ে বহরমপুরের সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরির (Adhir Ranjan Chowdhury) দ্বারস্থ হন বিপ্লব।
[আরও পড়ুন: ‘অসুবিধা হলে সরাসরি আমাকে ফোন করুন’, পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্যের আশ্বাস অনুব্রতর]
এতেই ঘরে এল সুখবর। বিষয়টি জানার পরই অধীর চৌধুরির নির্দেশে বৃহস্পতিবার বিপ্লববাবুর বাড়ি যান জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি হাসানুজ্জামান বাপ্পা, সুতি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি তারিকুল ইসলাম ও মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আশিষ তিওয়ারি। বিপ্লববাবুর কথা বলেন তাঁরা। জানান, ওই যুবককে সুস্থ করে তোলার সমস্ত দায়িত্ব নেবেন বলেই জানিয়েছেন বহরমপুরের সাংসদ। অধীররঞ্জন চৌধুরির এই আন্তরিকতায় খুশি সাহা পরিবার।
[আরও পড়ুন: আমফানে ব্যাপক ক্ষতি বাংলার, ক্ষত খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল]
সর্বশেষ খবর
-
‘লাশের রাজনীতি করতে ভালোবাসেন…’, হালিশহর প্রসঙ্গে মমতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মুকুল-পুত্র!
-
শান্তি বহু দূর! ইরানকে ‘শিক্ষা’ দিতে হরমুজে মার্কিন রণসজ্জা, প্রণালী ঘিরল ২০ ‘জলদানব’
-
শনির দশায় জেরবার সায়ন্তিকা! প্রেম জীবন নিয়ে নায়িকাকে কোন পরামর্শ জ্যোতিষীর?
-
গোল সেলিব্রেশনে লাফ দিয়ে সোজা টানেলে, চোট পেয়ে জানলেন গোল বাতিল! ভিডিও ভাইরাল
-
কলকাতার রাজপথে ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ যাত্রায় জাতীয় পতাকা হাতে মুখ্যমন্ত্রী, শামিল হাজার হাজার মানুষ