Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
দম্পতি

পারিবারিক অশান্তিতে বিবাহবিচ্ছেদ, দম্পতির সম্পর্ক জোড়া লাগাল ৫ বছরের মেয়ে

একসঙ্গে থাকার জন্য ফের বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৯, ১৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৯, ১৪:৪৪

options
link
পারিবারিক অশান্তিতে বিবাহবিচ্ছেদ, দম্পতির সম্পর্ক জোড়া লাগাল ৫ বছরের মেয়ে zoom

সৌরভ মাজি, বর্ধমান:  ১২ মাস ১২ দিন। ৫ বছরের মেয়ের টানে জোড়া লাগল বাবা-মায়ের সম্পর্ক। ২০১৮ সালে ১৩ জুন বর্ধমান আদালতে হিরেন্দু দাস ও ও তাঁর স্ত্রী মিঠু অধিকারীর ডিভোর্স মামলায় সিলমোহর পড়েছিল। ভেঙে গিয়েছিল সংসার।একমাত্র মেয়ে মায়ের কাছেই থাকার অধিকার পেয়েছিল। কিছুদিন আগে সেই মেয়ে বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিল মাসে ৮ হাজার টাকা খোরপোশ চেয়ে। যদিও নাবালিকা হওয়ায় মামলার তদারকির দায়িত্ব পেয়েছিলেন মিঠুদেবীই। বর্ধমান আদালতে সেই মামলার বিচারও শুরু হয়েছিল। এদিকে মেয়ে খোরপোশ চেয়ে মামলা করায় মানসিকভাবে খুবই আঘাত পান হিরেন্দু। মিঠুর প্রতি নতুন করে দুর্বলতাও অনুভব করেন।আবার স্বামীর থেকে আইনমাফিক বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরেও তা যেন মন থেকে মানতে পারছিলেন না মিঠুও। মন থেকে কোনওভাবেই মুছে দিতে পারছিলেন না স্বামীকে। মেয়ের করা খোরপোশের মামলা চলাকালীন আইনজীবীদের মাধ্যমে হিরেন্দু-মিঠু ফের কাছাকাছি আসতে শুরু করেন। শেষপর্যন্ত মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতেই ফের পাকাপাকিভাবে একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন হিরেন্দু ও মিঠু।

[ ‘স্কুলের শিক্ষকদের কাছেই প্রাইভেট টিউশন পড়ব’, দাবিতে পথে পড়ুয়ারা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মিঠুর আইনজীবী হিমাদ্রী গঙ্গোপাধ্যায় জানান, যেহেতু আইনি মতে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। তাই ফের সামাজিক মতে বিয়ে করতে হবে মিঠু ও হিরেন্দুকে। সেই বিয়ে নথিভুক্তও করতে হবে। তাঁর কথায়, বর্তমানে সামান্য কারণে একের পর এক সংসার ভেঙে যাচ্ছে। তখন ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগিয়ে নজির গড়লেন এই দম্পতি। জানা গিয়েছে, শক্তিগড় থানার পুতুণ্ডা গ্রামের বাসিন্দা হিরেন্দু। প্রায় ৮ বছর আগে খণ্ডঘোষের সাঁকো গ্রামের মিঠু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।তাঁদের কন্যাসন্তানও হয়। কিন্তু বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না।মনোমালিন্য হতে থাকে। পারিবারিক অশান্তি কারণে মাঝেমধ্যে হামেশাই বাপের বাড়ি চলে যেতেন মিঠু। বছর তিনেক আলাদা ছিলেন ওই দম্পতি। শেষপর্যন্ত ২০১৮ সালে আদালতে অনুমতিতে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.