৪ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সৌরভ মাজি, বর্ধমান:  ১২ মাস ১২ দিন। ৫ বছরের মেয়ের টানে জোড়া লাগল বাবা-মায়ের সম্পর্ক। ২০১৮ সালে ১৩ জুন বর্ধমান আদালতে হিরেন্দু দাস ও ও তাঁর স্ত্রী মিঠু অধিকারীর ডিভোর্স মামলায় সিলমোহর পড়েছিল। ভেঙে গিয়েছিল সংসার।একমাত্র মেয়ে মায়ের কাছেই থাকার অধিকার পেয়েছিল। কিছুদিন আগে সেই মেয়ে বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিল মাসে ৮ হাজার টাকা খোরপোশ চেয়ে। যদিও নাবালিকা হওয়ায় মামলার তদারকির দায়িত্ব পেয়েছিলেন মিঠুদেবীই। বর্ধমান আদালতে সেই মামলার বিচারও শুরু হয়েছিল। এদিকে মেয়ে খোরপোশ চেয়ে মামলা করায় মানসিকভাবে খুবই আঘাত পান হিরেন্দু। মিঠুর প্রতি নতুন করে দুর্বলতাও অনুভব করেন।আবার স্বামীর থেকে আইনমাফিক বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরেও তা যেন মন থেকে মানতে পারছিলেন না মিঠুও। মন থেকে কোনওভাবেই মুছে দিতে পারছিলেন না স্বামীকে। মেয়ের করা খোরপোশের মামলা চলাকালীন আইনজীবীদের মাধ্যমে হিরেন্দু-মিঠু ফের কাছাকাছি আসতে শুরু করেন। শেষপর্যন্ত মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতেই ফের পাকাপাকিভাবে একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন হিরেন্দু ও মিঠু।

[ ‘স্কুলের শিক্ষকদের কাছেই প্রাইভেট টিউশন পড়ব’, দাবিতে পথে পড়ুয়ারা]

মিঠুর আইনজীবী হিমাদ্রী গঙ্গোপাধ্যায় জানান, যেহেতু আইনি মতে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। তাই ফের সামাজিক মতে বিয়ে করতে হবে মিঠু ও হিরেন্দুকে। সেই বিয়ে নথিভুক্তও করতে হবে। তাঁর কথায়, বর্তমানে সামান্য কারণে একের পর এক সংসার ভেঙে যাচ্ছে। তখন ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া লাগিয়ে নজির গড়লেন এই দম্পতি। জানা গিয়েছে, শক্তিগড় থানার পুতুণ্ডা গ্রামের বাসিন্দা হিরেন্দু। প্রায় ৮ বছর আগে খণ্ডঘোষের সাঁকো গ্রামের মিঠু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।তাঁদের কন্যাসন্তানও হয়। কিন্তু বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না।মনোমালিন্য হতে থাকে। পারিবারিক অশান্তি কারণে মাঝেমধ্যে হামেশাই বাপের বাড়ি চলে যেতেন মিঠু। বছর তিনেক আলাদা ছিলেন ওই দম্পতি। শেষপর্যন্ত ২০১৮ সালে আদালতে অনুমতিতে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং