Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
লকডাউন

২১ মে নয়, দু’দিন আগেই বোলপুরে খুলে গেল সমস্ত দোকান

দু'মাস পর ব্যবসা শুরুতে প্রস্তুতি প্রয়োজন বলেই আগে দোকান খোলার সিদ্ধান্ত, বললেন অনুব্রত মণ্ডল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২০, ১৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২০, ১৮:৫১

options
link
২১ মে নয়, দু’দিন আগেই বোলপুরে খুলে গেল সমস্ত দোকান zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: ২১ মে থেকে সমস্ত নিয়ম মেনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবসায়ীদের দোকান খোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মঙ্গলবার থেকেই অর্থাৎ দু’দিন আগেই দোকান খোলার অনুমতি পেলেন বীরভূমের ব্যবসায়ীরা। তবে সরকারি নির্দেশ মানতে হবে প্রত্যেককে। যারা মানবেন না তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে, মঙ্গলবার এমনটাই জানালেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

রাজ্য সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী ২১ মে থেকে খুলে যাওয়ার কথা রাজ্যের সব দোকান। কিন্তু প্রায় দু’মাসের বেশি দোকান বন্ধ থাকায় ফের ব্যবসা শুরু করার জন্য একটা প্রস্তুতি প্রয়োজন। সেই কারণেই মঙ্গলবার থেকে বোলপুর মহকুমা-সহ গোটা জেলায় দোকান খোলার আবেদন করে ব্যবসায়ীরা। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই দেওয়া হয়েছে অনুমতি। মঙ্গলবার সকালেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে মাইকে প্রচার করে ব্যবসায়ীরা দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে সাফ জানানো হয়েছে যে, সরকারি নিয়ম এবং সামাজিক দূরত্ব মেনেই ব্যবসা করতে হবে। ক্রেতা এবং বিক্রেতা প্রত্যেককে মাস্ক পড়তেই হবে। দোকানে প্রবেশের সময় ক্রেতাদের হাতও স্যানিটাউজ করাতে হবে। যারা এই নিয়মবিধি মানবেন না তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবিলায় একযোগে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা, বাংলায় টুইট ধনকড়ের]

এই ঘোষনায় খুশি ছোট থেকে বড় ব্যবসায়ীরা। এদিনে বোলপুরের বেশ কয়েকটি ছোট-বড় দোকানের পাশাপাশি শপিংমলও খুলতে দেখা যায়। বোলপুরের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সুনীল সিং বলেন, ব্যবসায়ীরা আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। প্রশাসন সব দোকান খুলে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। এ প্রসঙ্গে তৃণমুলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “ব্যবসায়ীরা অবেদন করে ছিলেন তাই মঙ্গলবার জেলার থেকে সব দোকান খুলেছে। কারণ, দোকান খুলেই ব্যবসা শুরু সম্ভব নয়। প্রস্তুতি দরকার। সেই কারণেই দু’দিন আগেই খুলে দেওয়া হল।”

[আরও পড়ুন: কাটল সংঘাতের মেঘ, ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবিলায় মমতাকে ফোনে সাহায্যের বার্তা অমিতের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.