Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

‘দেশে করোনা সংক্রমণের জন্য দায়ী মোদি’, ফের বেফাঁস মন্তব্য অনুব্রত মণ্ডলের

অমিত শাহকেও একহাত নিলেন দাপুটে তৃণমূল নেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২১, ১২:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৭, ২০২১, ১২:২৮

options
link
‘দেশে করোনা সংক্রমণের জন্য দায়ী মোদি’, ফের বেফাঁস মন্তব্য অনুব্রত মণ্ডলের zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: দেশে করোনা সংক্রমণের জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে দায়ী করে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য অনুব্রত মণ্ডলের। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম কর্মী সম্মেলনে বললেন, “ভারতবর্ষে সাড়ে তিন লক্ষ মানুষ করোনা আক্রান্ত। এর জন্য দায়ী কে বলুন তো? নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। কারণ, নরেন্দ্র মোদি গুজরাতে ‘নমস্তে ট্রাম্প’ সভাটা করে আমেরিকা থেকে সাড়ে তিন হাজার লোক নিয়ে এল। আর ওরা আমাদের দেশে করোনা ছড়িয়ে দিয়ে পালিয়ে গেল। ওই লোকটার কোনও বুদ্ধিই নেই।”

দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত। তারই মধ্যে আনলক ওয়ান পর্বে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোদমে। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রামের গঙ্গাটিকুরির কৃষিমান্ডিতে তৃণমূলের বুথভিত্তিক কর্মী সম্মেলন করেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। এদিন তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে সরব হন। তবে অমিত শাহকে (Amit Shah) একহাত নিতে গিয়ে গণিতের হিসাব ওলোটপালোট করে ফেলেন শাসকদলের এই দুঁদে নেতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফুলশয্যায় থাবা বসিয়েছিল করোনা, হাসপাতালে ফের মালাবদল করোনাজয়ীর]

অনুব্রতর কথায়, “একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে দেখলাম, অমিত শাহ বলেছেন, ৪৩ কোটি মানুষকে ৫২ কোটি টাকা দিয়েছি। কত বড় মূর্খ বলুন তো! ৪৩ কোটি মানুষকে ৫২ কোটি টাকা দিলে এক একজন মানুষ এক কোটির বেশি পায়। আবার বলেছেন, ২০ কোটি মহিলাকে ২০ কোটি টাকা দিয়েছি। তাহলে তো একজন মহিলা ১ কোটি করে টাকা পেতে হয়।” তাঁর আরও বক্তব্য, “অমিত শাহ বলেছেন, ৮ কোটি কৃষককে ১৬ কোটি টাকা দিয়েছে। তাহলে তো একজন কৃষক ২ কোটি করে টাকা পেতে হয়। ওরা মূর্খ, অশিক্ষিত মানুষ। যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ কিছু জানে না।” মঞ্চে বক্তব্যের সময় অনুব্রতর এই হিসাব শুনে অনেক কর্মী কার্যত থ হয়ে যান। তবে সেসময় তার ভুল ভাঙাতে কাউকে দেখা যায়নি।

[আরও পড়ুন: আমফান ভুলিয়ে দিল পুরনো ‘শত্রুতা’, হাতে-হাত মিলিয়ে ত্রাণ নিলেন খেজুরি-নন্দীগ্রামের মানুষ]

এদিন অনুব্রত কেতুগ্রাম ২ ব্লকের ৯ টি পঞ্চায়েত এলাকার অঞ্চল নেতৃত্ব ও প্রধান উপপ্রধানদের নিয়ে কর্মী সম্মেলন করেন। দু’জন অঞ্চল নেতাকে হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, “দল কারও দুর্নীতির রেয়াত করবে না। দুর্নীতি করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর অবদানের কথা তুলে ধরে কর্মী, সমর্থকদের চাঙ্গা করার চেষ্টা করেন।

ছবি: জয়ন্ত দাস‌।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.