ধীমান রায়, কাটোয়া: আউশগ্রামের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ‘বেইমান’ বলে কটাক্ষ করলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। অভিযোগের সুরে বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিংসা করেন মোদি।” সেইসঙ্গে নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বললেন, বিধানসভা নির্বাচনে ২২০-২৩০ টি আসন পাবেই তৃণমূল।
সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের গেরাই হাইস্কুলের মাঠে সভা করেন অনুব্রত মণ্ডল। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে তিনি বলেন, “মোদি বেইমান। কোনও কথা রাখেনি। বলছে, বাংলাকে সোনার বাংলা করবে। আগে গুজরাটকে সোনার গুজরাট করে দেখাও। দেশের সম্পদ বিক্রি করছে এই সরকার।” এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, “লকডাউনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে ফ্রি চাল দিচ্ছেন। বিনা পয়সায় চিকিৎসা দিচ্ছেন। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের প্রশংসা করছেন সকলেই।”
[আরও পড়ুন: ‘আমি বেঁচে থাকতে বাংলাকে বিক্রি করতে দেব না’, ফের বিজেপিকে তোপ মমতার]
এদিনের সভায় দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে অনুব্রত বলেন, “মানুষকে পরিষেবা দিন। মানুষের উপকার করুন। তাহলে সকলে পাশে থাকবে। বিজেপি কৃষক, দিনমজুর, বেকারের জন্য কিছুই করেনি। বাংলার জন্যও কিছু করেনি। রবীন্দ্রনাথকে সম্মান করে না। রবীন্দ্রনাথকে বলা হয় ‘বহিরাগত’। বলা হচ্ছে, শান্তিনিকেতনে নাকি রবীন্দ্রনাথের জন্ম!” সভা থেকে এদিন রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের বাংলার দায়িত্ব না পেলে সব শেষ হয়ে যাবে। বাংলার উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে।”
সম্প্রতি তৃণমূলে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের ‘মুখোশধারী’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপির কলকাতা জোনের সহ-আহ্বায়ক বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় (Baishakhi Banerjee)। এদিন সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই মন্তব্যের জবাব দেন অনুব্রত। কুরুচিকর ভাষায় বিজেপি নেত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি।
[আরও পড়ুন: ‘বাপের বেটা হলে শুভেন্দু নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়াক’, সরাসরি চ্যালেঞ্জ সৌগতর]
সর্বশেষ খবর
-
শনি-রবি শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল একাধিক লোকাল, তালিকায় কোন কোন ট্রেন?
-
টিআরপিতে বিরাট রদবদল! বেঙ্গল টপার ‘জোয়ার ভাঁটা’, সেরা দশে কোন কোন বাংলা মেগা?
-
‘নব্য তৃণমূলে’র উত্থানে ৫ জেলায় লন্ডভন্ড ঘাসফুল! কে কোন দিকে গেলেন?
-
‘কালা হিরণ’ ঘোষণা হতেই মুণ্ডচ্ছেদের হুমকি! সলমনের আইনি নোটিস ছিঁড়ে পালটা চ্যালেঞ্জ প্রযোজকের
-
দলে কথা বলার সুযোগ পাননি! ভোটে হেরে রাজনৈতিক সন্ন্যাসের সিদ্ধান্ত প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশিসের