Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

এবার শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব পরিচালনায় অ্যাপেক্স কমিটি

ইতিমধ্যেই ভিড় বাড়ছে বোলপুরে

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৩, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৩, ১৬:৫৬

options
link
এবার শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব পরিচালনায় অ্যাপেক্স কমিটি zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: হাতে আর মাত্র তিনদিন। ঐতিহ্যের বসন্ত উৎসব ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে শান্তিনিকেতনে। ১১ জনের অ্যাপেক্স কমিটির সদস্য এবার বসন্ত উৎসব পরিচালনার দায়িত্বে৷ তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে উৎসব পরিচালিত হবে৷ এবং উৎসব পরবর্তী বিশ্বভারতী চত্বরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও কঠোর ব্যবস্থা নেবে এই কমিটি৷

বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার বসন্ত উৎসবে রেকর্ড ভিড় হতে চলেছে৷ আর সেই কথা মাথায় রেখে একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে বিশ্বভারতী ও জেলা প্রশাসন৷ শান্তিনিকেতনের ১৫ জায়গাতে লকগেট তৈরি করা হচ্ছে। পূর্বপল্লী মেলা মাঠ, রতনপল্লী মাঠ, বিজয়ভবন মাঠে থাকছে বাইক রাখার গ্যারেজ। একই ব্যবস্থা থাকছে বিশ্বভারতীর কর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সেন্ট্রাল অফিস, পুরনো সাঁতারপুকুর, রতনপল্লী মাঠ এবং চেতক বাড়ির কাছে৷

Advertisement

যত দিন যাচ্ছে শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসবকে ঘিরে মানুষের উৎসাহ বেড়েই চলেছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভিড়ও। শান্তিপূর্ণভাবে বসন্ত উৎসব পালন বিশ্বভারতীর কাছে এখন কার্যত একটা চ্যালেঞ্জ। ইতিমধ্যেই লোক আসতে শুরু করেছে গেস্ট হাউস, লজগুলিতে। হোটেলেও একই ছবি। দ্বিগুন টাকা দিয়েও ঘর মেলা এক কথায় অসম্ভব।

সরকারি হোমে পুড়ে মৃত্যু বহু শিশু ও কিশোর-কিশোরীর

প্রশাসনের আশঙ্কা, প্রায় ৬০ হাজারের বেশি মানুষ শান্তিনিকেতনে যাবেন দোলে৷ এদিকে হোটেলের জন্য হাহাকারকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী হোটেল বুকিং করে দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে ইতিমধ্যেই। বেশ কয়েকজন পর্যটক অভিযোগ করেছেন অ্যাকাউণ্টে টাকা দেওয়ার পরেও তাঁদের বুকিং কনফার্মড করা হচ্ছে না। বোলপুর হোটেল ওনার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে জানানো হয়েছে, যে সব হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের অন্তর্ভুক্ত নয় সেখানে প্রতারণার ঘটনা ঘটলে অ্যাসোসিয়েশন কোনও দায়িত্ব নেবে না৷

ত্বকে সাদা দাগ! সারবে এই ঘরোয়া টোটকাতে

বোলপুর ও আশপাশে প্রায় ১০০টি অ্যাসোসিয়েশনে নথিভুক্ত হোটেল ও গেস্টহাউস রয়েছে৷ এছাড়াও আরও ২০-৩০টি হোটেল, গেস্টহাউস রয়েছে যারা অ্যাসোসিয়েশনের নথিভুক্ত নয়৷ এই হোটেল ও গেস্টহাউসগুলির অনেকের সরকারি অনুমতিপত্র এবং ফায়ার ব্রিগেডের ছাড়পত্র নেই বলে অভিযোগ৷ এমনকী অনেকে বসতবাড়িকে গেস্টহাউস হিসাবে ব্যবহার করছে। তবে এই সবকিছুর মধ্যেই বসন্তের ফাগে প্রকৃতিকে রাঙিয়ে তুলতে সেজে উঠেছে রবিঠাকুরের লাল মাটির দেশ।

কাজ করুন দিক মেনে, তাতেই আসবে সাফল্য

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.