Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Swasthyasathi

দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ধৈর্যচ্যুতি, ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে হামলা-ভাঙচুর, উত্তপ্ত আসানসোল

অশান্তির জন্য কয়েকঘণ্টা বন্ধ রইল 'স্বাস্থ্যসাথী' কার্ড তৈরির কাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২১, ২০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২১, ২০:৪৮

options
link
দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ধৈর্যচ্যুতি, ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে হামলা-ভাঙচুর, উত্তপ্ত আসানসোল zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ড তৈরির জন্য দীর্ঘ লাইন। সকাল থেকে অনেকটা সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে ধৈর্যচ্যুতি ঘটল স্থানীয় বাসিন্দাদের। যার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শিবিরে চলে হামলা, বন্ধ হয়ে যায় ‘স্বাস্থ্যসাথী’ (Swasthya Sathi)কার্ড তৈরির কাজ। এই ঘটনায় রবিবার অশান্তি ছড়িয়ে পড়ল আসানসোলের (Asansol) সালানপুর ব্লকের বাসুদেবপুরে। ভাঙচুরের জেরে কার্যত তছনছ হয়ে গেল জেমারি কমিউনিটি হল। অশান্তির ছড়ানোর অভিযোগে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। পরে অবশ্য বিডিওর তৎপরতায় ফের কার্ড তৈরির কাজ শুরু হয়।

রবিবার, নির্ধারিত দিনে সালানপুর ব্লকের বাসুদেবপুরের জেমারি কমিউনিটি হলেও ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ড তৈরির কাজ শুরু হয়। রাতের অন্ধকার শেষ হতে না হতেই সাধারণ মানুষজন লাইনে দাঁড়ান। সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই লাইন দীর্ঘায়িত হতে থাকে। সকাল দশটায় ক্যাম্প শুরু হওয়ার আগে কয়েকশো মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড় আরও বাড়তে থাকে। এরপর ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রাহকদের একাংশ। আচমকাই শিরীষবেড়িয়া গ্রামে কয়েকজন লাইন ভেঙে কমিউনিটি হলের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাতেই গন্ডগোল বাধে, শুরু হয় অশান্তি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সপ্তাহ শুরুতেই ফের জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী, সোমবার নন্দীগ্রামের জনসভা দিয়ে সূচনা]

লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁরা শিরীষবেড়িয়ার মানুষজনকে বাধা দিলে স্থানীয় যুবক গৌতম মণ্ডলকে মারধর করা হয়। এছাড়াও গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শেখ হাসিফকে ধাক্কাধাক্কি করা হয় বলে অভিযোগ। কমিউনিটি হলের টেবিল ও চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সালানপুর থানার পুলিশ। তারা অশান্তি বাধানোর অভিযোগে তিনজনকে আটক করে। এই গন্ডগোলের জেরে বেশ কয়েক ঘন্টা বন্ধ হয়ে যায় ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের কাজ। পরে অবশ্য স্থানীয় মানুষ ও সালানপুর বিডিও অদিতি বসুর চেষ্টায় আবার চালু করা হয় শিবির। সন্ধে পর্যন্ত চলে কাজ।

[আরও পড়ুন: পুরপ্রশাসকের পর তৃণমূলের জেলা সভাপতি পদও হাতছাড়া জিতেন্দ্র তিওয়ারির]

এই ঘটনা প্রসঙ্গে সালানপুর ব্লকের বিডিও অদিতি বসু বলেন, ”এই ঘটনায় অভিযুক্তদের পুলিশ আটক করেছে। অশান্তি ও গন্ডগোলের জেরে কিছু সময় কাজ বন্ধ থাকলেও পরে আরও ভালভাবে, নিয়মশৃঙ্খলা মেনে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড বানানোর কাজ শুরু করা হয়।” পুলিশ জানিয়েছে, তিনজনকে আটক করা যায়। তদন্ত শুরু করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প ইতিমধ্যেই বেশ সাড়া ফেলেছে। প্রচুর মানুষ এই শিবির থেকে নানা পরিষেবা পেয়ে উপকৃত হয়েছেন। সর্বত্র শান্তিপূর্ণভাবেই কাজ চলেছে। বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিললেও, তা খুবই কম। এদিন সালানপুরের ঘটনা যুক্ত হল সেই তালিকায়।

দেখুন ভিডিও:

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.