তারক চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: গোপন ডেরায় লুকিয়ে থাকা সত্ত্বেও শেষ রক্ষা হল না। পাচারের আগেই কয়েক কোটি টাকা মূল্যের প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির (Siliguri) গোসাইপুর এলাকায়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই যুবককে। বৃহস্পতিবারই তাদের তোলা হচ্ছে আদালতে।
জানা গিয়েছে, গোপন সূত্র মারফত পুলিশ খবর পেয়েছিল শিলিগুড়ির গোসাইপুর থেকে বহূমূল্য প্রাচীন মূর্তি (Idol) পাচার করা হবে। সেই মতো ওই এলাকায় হাজির হয় শিলিগুড়ি পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ ও বাগডোগরা থানার পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় দুই যুবক ইসমাইল হক ও অনুপ মণ্ডলকে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কষ্ঠিপাথরের একটি বিষ্ণুমূর্তি। ধৃত যুবকেরা জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) ও কোচবিহারের বাসিন্দা বলে খবর।
[আরও পড়ুন: Coronavirus Update: রাজ্যে সামান্য বাড়ল করোনা সংক্রমণ, ডায়মন্ড হারবারে একদিনে রেকর্ড নমুনা পরীক্ষা]

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রাচীন এই মূর্তিটি বিক্রি হচ্ছিল ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে। সম্ভবত, নেপালের এক ব্যক্তি সেটি কিনতেন। মূর্তিটি বিদেশে পাচারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, নেপাল থেকে আসা ওই ব্যক্তির হাতে মূর্তিটি তুলে দিতেই গোসাইপুর এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছিল ধৃতরা। তবে কীভাবে ধৃতরা ওই মূর্তি পেল। এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত তাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে শিলিগুড়ির এই ঘটনার নেপথ্যে বড়সড় পাচারচক্র কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার শিকড়ে পৌঁছনো যাবে বলে ধারণা তদন্তকারীদের। উল্লেখ্য, শিলিগুড়ি এলাকায় এহেন মূর্তি পাচারের ঘটনা না ঘটলেও উত্তরবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর থেকে একাধিকবার এই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। উদ্ধার হয়েছে বহু দুষ্প্রাপ্য মূর্তিও।
[আরও পড়ুন: WB Civic Polls: শিলিগুড়ির পুরভোটে তৃণমূলকেই সমর্থন, অবস্থান স্পষ্ট করল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা]
সর্বশেষ খবর
-
‘তোলাবাজি করলে ডিমভাজি ফ্রি’, বিজেপিতে ‘তৃণমূলীকরণে’র বিরুদ্ধে পোস্টার দলীয় কর্মীর
-
পাচারের বড় ছক বানচাল, দমদম বিমানবন্দরেই উদ্ধার কোটি টাকার দুর্লভ ‘সাপের মাথা’!
-
অস্ত্রোপচারের মাঝেই সোনুর কণ্ঠে কিংবদন্তি রফির গান, ভিডিও দেখে তাজ্জব নেটভুবন
-
জেলবন্দি আত্মীয়, জামিন পাওয়াতে ছত্তিশগড় হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির উপর কালাজাদু ৪ যুবকের!
-
ঠিকমতো খাবার পাচ্ছে না দত্তক-প্রাণীরা! খাদ্যে নজরদারির অধিকার অভিভাবকদের