BREAKING NEWS

১৩ কার্তিক  ১৪২৭  শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

ফলপ্রকাশের ২৪ ঘণ্টা পরই ক্লাস শুরুর নির্দেশ ‘হাস্যকর’, দাবি রাজ্যের অধ্যাপকদের

Published by: Suparna Majumder |    Posted: September 23, 2020 8:26 pm|    Updated: September 24, 2020 2:00 pm

An Images

দীপঙ্কর মণ্ডল: স্নাতকস্তরের ফল প্রকাশ হবে ৩১ অক্টোবর। কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশ দিয়েছে স্নাতকোত্তরে ক্লাস শুরু হবে ১ নভেম্বর থেকে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক (Ramesh Pokhriyal) টুইট করার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া রাজ্যের অধ্যাপক মহলে।

করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টে UGC-র বিরুদ্ধে মামলা করেছিল রাজ্যের অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুপা (WBCUPA)। শীর্ষ আদালত রায় দেয় পরীক্ষা নিতেই হবে। বুধবার সংগঠনের সভানেত্রী অধ্যাপক কৃষ্ণকলি বসুর (Krishnakali Basu) প্রশ্ন, ফল বেরোনোর আগেই কি তাহলে ভরতি প্রক্রিয়া শুরু করে দিতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন? তাহলে পরীক্ষা বন্ধ করা হচ্ছে না কেন? অধ্যাপক বসুর কটাক্ষ, “ইউজিসির মাথায় যাঁরা আছেন তাঁরা আদৌ শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। ফল প্রকাশের ২৪ ঘন্টা পরই ক্লাস নেওয়ার নির্দেশ হাস্যকর। তাহলে এত কিছু করে পরীক্ষা নেওয়া কেন?”

[আরও পড়ুন: রাজনীতির ঊর্ধ্বে প্রাণ! হাবড়ার তৃণমূল নেতাকে প্লাজমা দিতে হাসপাতালে ছুটলেন CPM নেতা]

অধ্যাপকদের সংগঠন ‘আবুটা’র (ABUTA) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গৌতম মাইতির (Gautam Maity) বক্তব্য, “কেন্দ্রীয় সরকারের প্ররোচনায় UGC পরীক্ষা ও অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধিকার এবং শিক্ষক-ছাত্রদের অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতাকেও এই নির্দেশিকায় ধ্বস্ত করা হল। আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি।” অতিমারির প্রকোপ যখন প্রকট হয়নি তখন UGC এপ্রিলে পরীক্ষা ও পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ শুরু করা সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, কোভিড-১৯ (COVID-19) সংক্রমণ ও বিস্তার রোধ সুনিশ্চিত করে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ শুরু করতে হবে। মঙ্গলবার প্রায় উলটো নির্দেশে রাজ্যের অধ্যাপকরা UGC-র প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, এখন অতিমারি (CoronaVirus) পরিস্থিতি ভয়াবহ, হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন মারা যাচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে UGC ফরমান জারি করে বলে দিল ১ নভেম্বর থেকে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ শুরু করতে হবে। এই নির্দেশকে তুঘলকি বলে মনে করে আবুটা। গৌতমবাবু জানিয়েছেন, “যেভাবে এই নির্দেশিকা জারি করা হল তা থেকে স্পষ্ট অতিমারিতে ছাত্র-শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের জীবন রক্ষায় UGC ও কেন্দ্রীয় সরকার নিতান্তই উদাসীন। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী অতি সক্রিয় হয়ে যেভাবে UGC-র মুখপাত্র হয়ে উঠলেন, তাতে দেশের শিক্ষামন্ত্রী পদের সাংবিধানিক মর্যাদা এবং সেইসঙ্গে UGC-র মত একটি স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হল।”

[আরও পড়ুন: চলতি বছরেই মেটাতে হবে বকেয়া ডিএ, রাজ্যকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিল SAT]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement