Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Baruipur Murder Case

ছোট্ট শরীরে অত্যাচারের ক্ষত! বারুইপুরে নাবালিকার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে কীসের ইঙ্গিত?

রিপোর্টে বলা হয়েছে, যখন তাকে পুকুরে ফেলা হয়েছিল, তখনও সে বেঁচে ছিল।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৪:৫১

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৪:৫১

options
link
ছোট্ট শরীরে অত্যাচারের ক্ষত! বারুইপুরে নাবালিকার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে কীসের ইঙ্গিত? zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

শনিবার বন্ধুর জন্মদিনের উপহার কিনতে পাড়ার দোকানে গিয়েছিল ১১ বছরের ছোট্ট মেয়েটা। তারপর পুকুর থেকে উদ্ধার দেহ। রবিবারই নাবালিকার নৃশংস পরিণতির প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুর। এই আবহেই সামনে এল ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট। যে রিপোর্টের পরতে পরতে ভয়ঙ্কর অত্যাচারের ইঙ্গিত। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, শারীরিক নির্যাতনের পর মাথায় আঘাত করে মেয়েটিকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, রিপোর্টে বলা হয়েছে, যখন তাকে পুকুরে ফেলা হয়েছিল, তখনও সে বেঁচে ছিল। সূত্রের খবর, মেয়েটির মাথায় ক্ষত রয়েছে। কোনও ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করা বা কোনও জায়গায় মাথা ঠুকে দেওয়ার ফলে এই ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। তার যৌনাঙ্গের আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট।

রবিবারই ক্ষতবিক্ষত নিথর নাবালিকার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ওতটুকু মেয়ের উপরে কীভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে শিউরে ওঠার মতো সব ইঙ্গিত। শরীরে একাধিক আঁচড়-কামড়ের দাগ রয়েছে। রিপোর্টের গুরুত্বপূর্ণভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নাবালিকাকে অ্যান্টিমোর্টেম ড্রাউনিং অর্থাৎ মাথায় আঘাতের করে অচেতন অবস্থায় তাকে পুকুরে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, ওই নাবালিকার পাকস্থলী ও ফুসফুস জল ঢুকে ফুলে গিয়েছে। মাথার ক্ষত থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। জলে ডুবে গিয়েই নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ রিপোর্টে।

Advertisement

শনিবার বিকেলে বেরিয়ে দীর্ঘক্ষণ পেরোলেও বাড়ি না ফেরায় নাবালিকার পরিবার নিখোঁজের ডায়েরি করে বারুইপুর থানায়। রাতেই এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই নাবালিকাকে নিয়ে যাচ্ছে চারজন। রবিবার সকালে ধবধবি ও সূর্যপুর স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় নাবালিকার বস্তাবস্তি দেহ উদ্ধার হয়। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে তোলপাড় হয় বারুইপুর। গণপিটুনিতে এক অভিযুক্তকে মেরে ফেলে উন্মত্ত জনতা। বারুইপুর জেলা পুলিশ, এসটিএফ ও রাজ্য পুলিশের সিটের ৬ সদস্যের নজরদারিতে চলছে তদন্ত। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত সহ ৩ জন গ্রেপ্তার ইতিমধ্যেই। বাকিদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.