Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Beldanga

বেলডাঙার ঘটনায় এখনও কেস ডায়েরি হাতে পেল না এনআইএ!

ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার এক সংখ্যালঘু যুবকের মৃত্যুতে ১৬ জানুয়ারি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। উত্তেজিত জনতা পথ ও ট্রেন অবরোধ শুরু করে।

Advertisement
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৭:১৭

link
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৭:১৭

options
link
বেলডাঙার ঘটনায় এখনও কেস ডায়েরি হাতে পেল না এনআইএ! zoom
বেলডাঙার অশান্তির ফাইল ছবি।

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তির (Beldanga Unrest) ঘটনায় ধৃত ৯জনকে হাজির করা সম্ভব হল না। আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা বিচারভবনে বেলডাঙায় (Beldanga) অশান্তির ঘটনার মামলার শুনানি ছিল। সেখানে ধৃত ৯জনকে হাজির করার কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। এজন্য রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে দায়ী করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। জানা গিয়েছে, এখনও কেস ডায়েরি হাতে পাননি তদন্তকারীরা। এরপরেই বিচারক আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্তদের হাজির করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তদন্তকারী অফিসারকে সশরীরে হাজির হয়ে আদালতে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকারকেও এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। 

বলে রাখা প্রয়োজন, ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার এক সংখ্যালঘু যুবকের মৃত্যুতে ১৬ জানুয়ারি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। উত্তেজিত জনতা পথ ও ট্রেন অবরোধ শুরু করে। ভাঙচুরও চলে। ১৭ তারিখও উত্তপ্ত হয়ে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। জাতীয় সড়ক অবরোধ, ট্রেন অবরোধ, ভাঙচুর থেকে সাংবাদিকদের মারধর, দিনভর উত্তপ্ত ছিল এই এলাকা। অবশেষে অ্যাকশন শুরু করে পুলিশ। সোশাল মিডিয়া ও CCTV ফুটেজের ভিত্তিতে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত নিয়েছে এনআইএ। শুধু তাই নয়, সরজমিনে ময়দানে নেমে ঘটনার তদন্তও শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

Advertisement

ইতিমধ্যে যদিও হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। খুব শীঘ্রই এই মামলার শুনানি রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে ‘অসহযোগিতা’র অভিযোগ এনআইএয়ের! জানা গিয়েছে, এদিন কলকাতায় মামলার শুনানি এনআইএ অভিযোগ করে জানায়, বহরমপুর জেলকে অভিযুক্তদের কড়া নিরাপত্তা দিয়ে কলকাতা আদালতে নিয়ে আসার কথা বলা হয়েছিল। জেল প্রশাসন রাজ্য পুলিশের কাছে স্কট চেয়েছিল। যদিও মুর্শিদাবাদ পুলিশ সুপার গাড়ি স্কটের ব্যবস্থা করতে পারেনি বলে জেল সুপার আদালতে জানিয়েছেন। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.