রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: প্রবল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে রাজ্যের চারটি সাংগঠনিক জেলায় সম্ভাব্য জেলা সভাপতির নামের তালিকা তৈরি করতে পারল না রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে সেই চার জেলা বাদে বাকি ৩৯টি সাংগঠনিক জেলার সম্ভাব্য তালিকা নিয়ে দিল্লি গেলেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশল। রবিবার বিধাননগরের দলীয় কার্যালয়ে সম্ভাব্য জেলা সভাপতিদের নামের তালিকা তৈরি করতে বঙ্গ বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন বনশল।
সুকান্ত মজুমদার, অমিতাভ চক্রবর্তী, সতীশ ধন্দ, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত দীপক বর্মনরা উপস্থিত থাকলেও অন্য কর্মসূচি থাকায় অনুপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। সাংগঠনিক দায়িত্ব না থাকায় বৈঠকে ছিলেন না শুভেন্দু অধিকারী বা দিলীপ ঘোষ। দলীয় সূত্রে খবর, প্রবল গোষ্ঠীদ্বন্দের কারণে চারটি সাংগঠনিক জেলার সম্ভাব্য তিনজন সভাপতির নাম নিয়ে সহমতে পৌঁছনো সম্ভব হয়নি। বৈঠক শেষে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানান, মোট ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৩৯টি জেলার সম্ভাব্য সভাপতি হিসাবে তিনটি করে নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। চারটি জেলার ক্ষেত্রে সহমত না হওয়ায় নামের তালিকা তৈরির কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।
সুকান্তর দাবি, দলীয় সংবিধান অনুযায়ী ৫০ শতাংশের বেশি মণ্ডল কমিটি গঠিত হলে জেলা সভাপতি নির্বাচন ও ৫০ শতাংশ জেলা কমিটি তৈরি করা হলে রাজ্য সভাপতি নির্বাচন হওয়া সম্ভব। সেই হিসাবে ৪৩টির মধ্যে ৩৯টি জেলার সভাপতির নাম ঘোষণা হয়ে গেলে রাজ্য সভাপতি নির্বাচন করার কাজ শুরু করতে কোনও বাধা থাকবে না। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, চলতি মাসের মধ্যেই ৩৯টি জেলার সভাপতির নামে সিলমোহর দিয়ে দেবে সর্বভারতীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে দোল পূর্ণিমার আগেই নতুন রাজ্য সভাপতি পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
সর্বশেষ খবর
-
চুরি বন্ধ হতেই হু হু করে বাড়ছে রাম মন্দিরের আয়, দৈনিক কত অনুদান জমা পড়ছে দানবাক্সে?
-
সিপিএম জমানায় উত্থান, তৃণমূল আমলে বালি পাচারে বিশাল সাম্রাজ্য! মাফিয়া অজয় গ্রেপ্তার
-
‘রোনাল্ডোর ইগোই বোতলবন্দি করে দিচ্ছে পর্তুগালকে’, সিআর সেভেনকে নিয়ে বিস্ফোরক ইব্রাহিমোভিচ
-
পদত্যাগ না করা ‘অপরাধ’, দুই মহিলা কাউন্সিলরের বাড়িতে পাথর-ডিম হামলা! উত্তেজনা বারাসতে
-
রবিবার দিনভর দুর্যোগ! নিম্নচাপ অভিমুখ বদলালেও ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ, উত্তরেও বৃষ্টির সতর্কতা