অর্ণব দাস, বারাসত: সাতসকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণে প্রাণ গিয়েছে ৭ জনের। দত্তপুকুরের (Duttapukur) বাজি কারখানা এখন ধ্বংসস্তূপ। আর রবিবার সন্ধেবেলা উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে সেখানেই পৌঁছে গেলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (C V Anand Bose)। বিস্ফোরণস্থলে গিয়ে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে কথা বললেন। ঘুরে দেখলেন দুর্ঘটনাগ্রস্ত এলাকা। আশেপাশের সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি। ঘটনাস্থলে ছিলেন পুলিশ সুপার (SP) ভাস্কর মুখোপাধ্য়ায়। তিনি রাজ্যপালকে বিস্তারিত তথ্য দেন।
রবিবার সকালে আচমকাই বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বারাসত (Barasat) লাগোয়া দত্তপুকুর থানার নীলগঞ্জ ফাঁড়ির নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মোছপোল পশ্চিমপাড়া অঞ্চল। প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে যায় একটি দোতলা বাড়ি। আশপাশের অন্তত ১০০টি বাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থানীয়দের দাবি, কেরামত এবং সামসুল দু’জনে মিলে বেআইনিভাবে বাজি তৈরি করত। ওই বাজি দোতলা বাড়িতে মজুত করে রাখা হত। তা ফেটেই এমন বীভৎস ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে বাড়ির মালিক কেরামত আলি ও তার ছেলেরও।
[আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ায় আমন্ত্রিত অভিষেক, চিঠি পাঠিয়ে ‘স্পেশ্যাল ভিজিট প্রোগ্রামে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান]
শিলিগুড়িতে (Siliguri) বসেই এই খবর পেয়েছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, খবরটি শুনেছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার পরই মন্তব্য করবেন। তবে মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এরপরই তিনি দত্তপুকুর যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শিলিগুড়ি থেকে দমদম বিমানবন্দরে নেমে সোজা সড়কপথে পৌঁছে যান মোছপোল এলাকায়। পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বিস্ফোরণ স্থল ঘুরে দেখেন।
[আরও পড়ুন: স্কলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার নামে ডেকে গয়না চুরি! উধাও অভিযুক্ত শিক্ষক]
সর্বশেষ খবর
-
১৩ বছরেই সামাজমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট! অথচ ভারতীয় আইনে অনূর্ধ্ব ১৮-রা ‘নাবালক’
-
শুক্রবার থেকে বঙ্গে জনকল্যাণ শিবির, অন্নপূর্ণা-সহ একাধিক প্রকল্পে আবেদনের সুযোগ
-
শার্লক হোমস যদি বাঙালি হতেন, কেমন হত? বনি-বিক্রম-অর্ণদের নিয়ে দেখাবেন অরিন্দম শীল
-
উৎসবের মরশুমে পকেটে টান! ফের অনেকটা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম
-
উৎসবের মরশুমে ‘সুখবর’, একধাক্কায় ৫ থেকে ১০ হাজার বেতন বাড়ল চুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকর্মীদের