BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জট কাটাতে ১২০০ জনকে নিয়ে বৈঠক ডেকে বিতর্কে বিশ্বভারতী, বাতিল করল জেলা প্রশাসন

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 28, 2020 1:50 pm|    Updated: August 28, 2020 1:53 pm

An Images

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: পাঁচিল কাণ্ডের জট কাটাতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে করোনা আবহে প্রায় ১২০০ জনকে বৈঠকে ডেকে ফের বিতর্কে বিশ্বভারতী (Vishva Bharati) কর্তৃপক্ষ। এত জনকে নিয়ে বৈঠক করা যাবে না, জানিয়ে দুটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ডাকা দুটি বৈঠকই বাতিল করে দিল জেলা প্রশাসন। ফলে শেষ মুহূর্তে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত, আপাতত ভারচুয়াল বৈঠক হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশ্বভারতীয় জানিয়েছিল, শুক্রবার বাংলাদেশ ভবনে দুপুর ২টো থেকে এবং বিকেল ৪টে থেকে দুটি বৈঠক হবে। তাতে প্রায় ১২০০ জন অশিক্ষক কর্মী, অধ্যাপক, বিভাগীয় প্রধানকে ডাকা হয়। কিন্তু করোনা আবহে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না, এই নির্দেশের কথা জানা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষেরও। তা সত্ত্বেও এতজনকে নিয়ে বৈঠকের আয়োজন কেন? এই প্রশ্নে বিতর্ক দেখা দেয়। জেলাশাসক মৌমিতা গোদারার নির্দেশে মহকুমাশাসক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এত জনকে নিয়ে বৈঠক করা যাবে না। তা বাতিল করতে হবে। এরপর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বৈঠক বাতিল করতে বাধ্য হয়। ঠিক হয়, আপাতত ভারচুয়ালি আলোচনা হবে।

[আরও পড়ুন: গেরুয়া শিবিরে ফের ভাঙন, এবার তৃণমূলে যোগ দিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি বিধায়ক]

সূত্রের খবর, গত ১৭ তারিখে বিশ্বভারতীতে পাঁচিল ভাঙচুরের ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষামন্ত্রক এবং ইউজিসি। বিশ্বভারতীকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছে কেন এই সিদ্ধান্ত এবং কত দিন বন্ধ রাখবে। এই চিঠির চাপে পড়ে পরে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় যে শিক্ষামন্ত্রকের নির্দেশ অনুসারে কর্মী,অধ্যপকদের বাড়ি থেকে কাজ করতে হবে। আজকের এই বৈঠকে বিশ্বভারতী কবে থেকে খোলা হবে, সেই বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে বৈঠক বাতিল হওয়ায় এত কম সময়ের মধ্যে কীভাবে ভারচুয়াল বৈঠকের আয়োজন করা হবে, সে বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র অনির্বাণ সরকার।

[আরও পড়ুন: বাড়ির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত শিশু-সহ ৩, দেহ উদ্ধারে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পুলিশ]

এদিকে, শুক্রবার সকালে বিশ্বভারতীতে গিয়ে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul)। সাম্প্রতিক ঘটনার জন্য তিনি সমবেদনা প্রকাশ করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পাঁচিল ভাঙার বিরোধিতা করে বলেন, এর সিবিআই তদন্ত চাই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেই আবেদন করা হবে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সুরে সুর মিলিয়ে ঘটনার নেপথ্যে তিনি তৃণমূল নেতাদেরই কাঠগড়ায় তুলেছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement