Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Bishnupur

পরকীয়ার জেরে খুন! বিষ্ণুপুরে ঝোপে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ

শনিবার সকালে বিষ্ণুপুর শহরের লাল বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় ঝোপঝাড়ের মধ্যে থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়।

অসিত রজক
অসিত রজক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ২০:১৪

link
অসিত রজক
অসিত রজক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৬, ২০:১৪

options
link
পরকীয়ার জেরে খুন! বিষ্ণুপুরে ঝোপে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ zoom
শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা দুই টেস্টের সিরিজ।
Advertisement

পরকীয়ার জেরে এক যুবককে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষ্ণুপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য। শনিবার সকালে বিষ্ণুপুর শহরের লাল বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় ঝোপঝাড়ের মধ্যে থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, ওই যুবকের স্ত্রী বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। এর জেরেই তাঁকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মৃতের নাম দীপক লোহার (৩৭)। তাঁর বাড়ি বিষ্ণুপুর ব্লকের শিরোমনিপুর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে কয়েকজন মহিলা কাঠ কুড়াতে গিয়ে প্রথমে ঝোপের মধ্যে দীপকের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে দেহ শনাক্ত করেন। মৃতের মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন, শরীরের বিভিন্ন অংশে দাগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

Advertisement

পরিবারের অভিযোগ, এই মৃত্যুর পিছনে রয়েছে জটিল পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন। মৃতের দাদা তপন লোহারের অভিযোগ, এলাকার একটি কৃষি ফার্মের এক কর্মীর সঙ্গে দীপকের স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেই সম্পর্ক নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র অশান্তি চলছিল। প্রায় প্রতিদিনই দু’জনের ঝগড়া লেগে থাকত। কয়েকদিন আগে দীপকের স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে ওই ব্যক্তির বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। ৫ দিন পর ফের বাড়িতে ফিরে এলে দাম্পত্য কলহ চরম আকার নেয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে দীপক বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরিবার জানত, দীপক ও তাঁর স্ত্রী চৌকানগ্রামে একটি অন্নপ্রাশনের অনুষ্ঠানে গিয়েছেন। সেই কারণে রাতে বিশেষ উদ্বেগ তৈরি হয়নি। কিন্তু শনিবার সকাল থেকে ফোনে দীপকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় উৎকণ্ঠা বাড়ে। এর মধ্যেই স্থানীয়দের মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছয়।

মৃতের দাদা তপন লোহার সরাসরি খুনের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, “আমার ভাইয়ের স্ত্রী’র সঙ্গে যার সম্পর্ক ছিল, সেই ব্যক্তি বা তাঁর সহযোগীরা খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।” পরিবারের পক্ষ থেকে এই মর্মে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃতের গতিবিধি, পারিবারিক সম্পর্ক ও সম্ভাব্য বিবাদের দিকগুলোও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.