Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
ডাক্তারবাবু

খোল বাজিয়ে ভাটিয়ালি সুরে রবিবাসরীয় প্রচার জমিয়ে দিলেন ‘ডাক্তারবাবু’

তিস্তা নদীকে নিয়ে প্রার্থীর গান শুনে আপ্লুত আমজনতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০১৯, ১৫:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০১৯, ১৫:১৬

options
link
খোল বাজিয়ে ভাটিয়ালি সুরে রবিবাসরীয় প্রচার জমিয়ে দিলেন ‘ডাক্তারবাবু’ zoom
Advertisement

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: ভোট বড় বালাই। স্টেথোস্কোপ হাতেই তিনি সাবলীল। কিন্তু জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের সেই বিজেপি প্রার্থী ডক্টর জয়ন্ত রায়কে দেখা গেল একেবারে অন্য ভূমিকায়। রবিবাসরীয় প্রচারে এদিন কর্মী সমর্থকদের নিয়ে দিনবাজারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী ডাঃ জয়ন্ত রায়। বাজারের একপাশে বসেছিল চৈত্র মাসের অষ্টপ্রহর কীর্তনের আসর। সরাসরি ঢুকে পড়লেন আসরে। ভাবের ঘোরে ঘাড়ে তুলে নিলেন খোল। সঙ্গ দিলেন কীর্তনিয়াদের। পরে দোকানে দোকানে প্রচার সেরে বেরিয়ে ভাটিয়ালির সুরে তিস্তা নদীকে নিয়ে গান গাইতেও দেখা গেল তাঁকে।

[আরও পড়ুন: শব্দবিধি না মানলে খারিজ হতে পারে প্রার্থীপদ, সব দলকে চিঠি নির্বাচন কমিশনের]

কোনওদিনই সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। জলপাইগুড়ি জেলার বিজেপি নেতা কর্মীদের সঙ্গে দিন কয়েক আগে নাম ঘোষণার পরই পরিচয় হয় তাঁর। পেশায় তিনি চিকিৎসক। তাই ডাক্তারবাবু পরিচয়েই তিনি বেশি পরিচিত দলের নেতা-কর্মী মহলে। সেই ডাক্তারবাবুকে করতাল বাজাতে এবং গান গাইতে দেখে স্বাভাবিকভাবেই অবাক বিজেপি কর্মীরা। ডাঃ রায় জানান, ডাক্তারির পাশাপাশি গানটাও চর্চার মধ্যেই রেখেছেন। ঘনিষ্ঠরা জানেন, অত্যন্ত সুন্দর ভাটিয়ালি এবং নজরুলগীতি গাইতে পারেন ডাক্তারবাবু। এদিন তার গলায়, ‘তিস্তা নদীর উথাল পাথাল কারবাচলে নাও’, গানটি শুনে আপ্লুত বাজারের রাস্তায় উপস্থিত জনতা। দলের জেলা সভাপতি দেবাশিস চক্রবর্তী বলেন, “যত দিন যাচ্ছে ততই পদ্মের মতো ফুটছেন আমাদের পদ্ম প্রার্থী। আমরা অভিভূত। সেই সঙ্গে আমাদের বিশ্বাস, ডাক্তারবাবুকে এবার নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাবেন জলপাইগুড়ির জনতা।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভোট সচেতনতায় জলযান, নৌবিহারেই শেখানো হল ভিভিপ্যাটের ব্যবহার]

ভোটের রবিবার। এদিন আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। সকাল সকাল প্রচারে বের হবেন ভেবে কর্মসূচি সাজিয়েও পিছিয়ে যান বিভিন্ন দলের নেতা কর্মীরা। সকাল সাড়ে আটটার কর্মসূচি এদিন সাড়ে ন’টায় শুরু করতে হয় বিজেপির নেতা-কর্মী এবং প্রার্থীকে। দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক কাপ চা হাতে প্রচার শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী ডক্টর জয়ন্ত রায়। দিনবাজার, অষ্টপ্রহর কীর্তন, জলপাইগুড়ি শহর ছেড়ে তিনি চলে যান ডুয়ার্সে প্রচারে। রবিবাসরীয় প্রচারে পিছিয়ে ছিলেন না কেউই। কংগ্রেস প্রার্থী মনি দার্নালকে এদিন প্রচারে শ্রমিকদের সঙ্গে পাতা তুলতে দেখা গিয়েছে চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি শহরের রাস্তায় প্রচারে দেখা গিয়েছে বামফ্রন্ট মনোনীত সিপিএম প্রার্থী ভগীরথ রায়কে। সকালে বাড়ির সামনে প্রচার করেন। কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি দলের বিভিন্ন সংগঠনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বিজয় চন্দ্র বর্মনকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.