সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। বোর্ড গঠনে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ উঠল রাজ্য বিজেরপির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বোর্ড গঠনে তৃণমূল নেতাদের কিনতে চাইছে বিজেপি। সেজন্য ফোন করে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কথা সেরে নিতে বলা হচ্ছে। সেই ফোনেই তৃণমূলের জেলা স্তরের সংগঠনকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এই কথাবার্তা সম্বলিত একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। যদিও টাকার বিনিময়ে তৃণমূল নেতাদের কেনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দিলীপ ঘোষ।
এদিকে অডিও ক্লিপের কণ্ঠস্বর শুনে অনেকেই নদিয়া উত্তরের বিজেপি নেতা মহাদেব সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন। যদিও সেই দাবি মানতে নারাজ মহাদেববাবু। তাঁর বক্তব্য, তিনি হরবোলা হওয়ায় অনেকের গলার স্বরই নকল করতে পারেন। সেখানে নিজের গলাতে এমন অফার দেবেন কেন। অন্যের গলার স্বর নকল করে তো কাজটি করতে পারতেন। এরপর নিজে থেকেই পাশে বসে থাকা এক স্থানীয় বিজেপি নেতা জয়দীপ বসুর স্বর নকল করে শোনান তিনি। তবে তিনি যে জনৈক তৃণমূল নেতাকে অফার দেননি তা জোর দিয়ে বললেও তাঁর দাবি ফোনে আড়ি পাতছে তৃণমূল। তাই এসব বলেছে। বকলমে এই আড়ি পাতার প্রসঙ্গে তুলে কী ঘোড়া কেনাবেচায় বিজেপির হাত থাকার বিষয়টি উসকে দিলেন? প্রশ্ন উঠছে।
[ইটাহারে তৃণমূল কর্মীকে গুলি করে খুন, উত্তেজনা]
তবে অডিও ক্লিপের কণ্ঠস্বর নিয়ে ধন্দও তৈরি হয়েছে। শুধু মহাদেববাবুই নয়, রাজ্য বিজেপির কোষাধ্যক্ষ শবর ধনানিয়ার সঙ্গেও মিলছে অডিও ক্লিপের কণ্ঠস্বর। এমনকী, শবরবাবুর মোবাইলের কলার টিউন ও অডিও ক্লিপের কণ্ঠস্বরের মোবাইলের কলার টিউনও একই। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে শবরবাবুর দাবি, তিনি ফোনে কোনও কলার টিউন যোগ করেননি। এটা তাঁর অজান্তে কেউ করে দিয়েছে। তিনি এসবের কিছুই জানেন না। তবে কণ্ঠস্বর নিয়ে মুখ খোলেননি বিজেপি কোষাধ্যক্ষ।
অডিও ক্লিপটিতে শোনা যাচ্ছে, জনৈক তৃণমূলের পঞ্চায়েতের নেতাকে অফার দেওয়া হচ্ছে। সোজাসুজি টাকার প্রসঙ্গ না এলেও রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কথা বলতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে তৃণমূলের জেলা স্তরের সংগঠনকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তার জন্য যা করণীয় তার সবটাই করা হবে। এদিকে অডিও ক্লিপের প্রসঙ্গে উড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনে কোনও নেতাকে ভাঙানো হচ্ছে না। সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী যদিও উলটো সুর গাইলেন। তাঁর মতে এটি পুরনো রেওয়াজ। তাঁদের সময়ে একেবারে তৃণমূল স্তরে এমন চললেও বড় জায়গায় পাত্তা পেত না। তবে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তাঁর দাবি, ‘উচ্ছিস্ট নেতাদের নিতে তৃণমূলই সবসময় লাফালাফি করে।’
[মোমোর গুজব ছড়াতে গিয়ে বিপদ, শ্রীঘরে ঠাঁই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার]
সর্বশেষ খবর
-
বাইক দাঁড় করিয়ে ফোনে কথা, পিছন থেকে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কা, বেঘোরে মৃত্যু শিশু-সহ গোটা পরিবারের
-
ভারত-চিনের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন! ইউনানের শিল্পীরা মাতালেন কলকাতার মঞ্চ
-
সম্পূর্ণ বেসরকারিকরণই কি ভবিষ্যৎ? ৯ কর্মী সংগঠনের চিঠির উত্তর দিল ইসরো
-
জল্পনার অবসান! ‘বিগ বস বাংলা’য় প্রথম ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি রাজবীরের, চেনেন এই অভিনেতাকে?
-
দিল্লিতে বাড়ি ভেঙে মৃত ৫, শোকপ্রকাশ মোদি-মুর্মুর, ‘এড়ানো যেত’, তোপ কংগ্রেসের