Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
BJP leader Dilip Ghosh again slams WB government in social media

‘সাংসদ তহবিলের টাকা আটকে সুদ নিচ্ছে সরকার’, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক দিলীপ

উন্নয়ন নিয়ে শাসক-বিরোধীর তরজা লেগেই রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২২, ১৩:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২২, ১৩:০৫

options
link
‘সাংসদ তহবিলের টাকা আটকে সুদ নিচ্ছে সরকার’, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক দিলীপ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উন্নয়ন নিয়ে শাসক-বিরোধীর তরজা নতুন নয়। প্রায় প্রতিদিনই তা লেগে থাকে। এবার এলাকার উন্নয়ন নিয়ে সওয়াল করতে গিয়ে বিস্ফোরক দাবি করে বসলেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর খোঁচা, “সাংসদ তহবিলের ৭০ লক্ষ টাকা আটকে রেখে সুদটা খাচ্ছে রাজ্য সরকার।” সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মর্মে পোস্টও করেন তিনি।

দিনকয়েক আগেই মেদিনীপুর-খড়গপুর উন্নয়ন পর্ষদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন স্থানীয় বিজেপি সাংসদ। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে মেদিনীপুর-খড়গপুর উন্নয়ন পর্ষদ বা এমকেডিএ ছোট কোনও কাজেরও অনুমতি দিচ্ছে না। সেই অভিযোগের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন বিজেপি সাংসদ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: খাস কলকাতায় অটোচালকের মাথা থেঁতলানো দেহ উদ্ধার, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ, আনন্দপুরে চাঞ্চল্য]

ফেসবুক পোস্টে দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, “মেদিনীপুর-খড়গপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির তরফ থেকে সাংসদ তহবিল থেকে দেওয়া প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা আটকে রাখা হয়েছে। যে টাকা সাধারণ মানুষের সেবার জন্য ব্যয় করা উচিত, সেটা রাজনৈতিক স্বার্থে আটকে রাখার কারণ কী? একদিকে সরকার বলে নাকি টাকা নেই। তাহলে এই বরাদ্দগুলো কার নির্দেশে আটকে রাখা হচ্ছে? নাকি টাকাটা আটকে রেখে সুদটা খাচ্ছে রাজ্য সরকার।”

দিলীপ ঘোষের এই দাবি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর আলোচনা। শাসক-বিরোধী তরজাও শুরু হয়ে গিয়েছে। যদিও দিলীপ ঘোষের অভিযোগ কার্যত অস্বীকার করেছেন এমকেডিএ’র চেয়ারম্যান দীনেন রায়। তাঁর দাবি, মাত্র কয়েকদিন আগেই মেদিনীপুর-খড়গপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান হয়েছেন তিনি। তাই তাঁর পক্ষে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে সমস্ত নথিপত্র তৈরি করতে বলেছেন বলেই জানান দীনেনবাবু।

[আরও পড়ুন: COVID-19 Update: দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ৬০ হাজার ছুঁইছুঁই, ১০% ছাড়াল পজিটিভিটি রেট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.