৫ ফাল্গুন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: দিলীপের পথেই হাঁটলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। দুর্গাপুরের শ্যামপুর কলোনি স্কুলের মাঠ থেকে এনআরসির সমর্থনে সুর চড়ালেন তিনি। মুসলিমদের দেশ ছাড়া করার হুঁশিয়ারিও দেন বিজেপি নেতা। বলেন, “হিন্দু বাঙালি ও উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে কিন্তু লুঙ্গিবাহিনীকে ভারত থেকে বিতাড়িত করবই।” সায়ন্তন বসুর মন্তব্যেই সমালোচনার ঝড় সব মহলে। 

নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় সরব গোটা দেশ। ক্ষোভে ফুঁসছে দেশবাসী। পথে নেমেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শান্তিপূর্ণ পথে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন তিনি। সিএএ ও এনআরসির প্রতিবাদে সুর চড়িয়েছে সবমহল। অন্যদিকে, নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে জেলায় জেলায় অভিনন্দন যাত্রা ও সভার আয়োজন করছে বিজেপি। নাগরিকত্ব আইনের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরের শ্যামপুর কলোনি স্কুল মাঠে সভার আয়োজন করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই সভা থেকেই এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন সায়ন্তন বসু। বলেন, “দিদিমনিকে বলতে চাই NRC-CAAহলে তিনিও ভালই থাকবেন। তার চোখের সামনে হিন্দু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দেব। যারা ওপার বাংলা থেকে হিন্দু হওয়ার কারণে বিতাড়িত হয়ে এ দেশে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের শুধু নাগরিকত্বই নয় চাকরি ও ব্যবসারও সুযোগ করে দেব আমরা।”

sayantan-2

[আরও পড়ুন: চতুর্থ শ্রেণির ২ পড়ুয়ার শ্লীলতাহানির চেষ্টা জওয়ানের, অভিযুক্তকে বেধড়ক মার উত্তেজিত জনতার]

সৌমিত্র খাঁয়ের পথে হেঁটে এদিনের সভা থেকে বুদ্ধিজীবীদেরও এক হাত নেন সায়ন্তন বসু। বলেন, যারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সিএএ, এনআরসির সমালোচনা করছেন সেই বুদ্ধিজীবীরা সরকারে থেকে টাকা পান। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পথে নামতেন। নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় সুর চড়াচ্ছেন।” রাজ্য সরকার মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এমন অভিযোগও তোলেন বিজেপি নেতা। পাশাপাশি সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমকেও আক্রমণ করেন তিনি। সায়ন্তন বসুর মন্তব্যে দানা বাঁধছে বিতর্ক। জল্পনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

[আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মদিনে প্রতিযোগিতার আয়োজন পঞ্চায়েতের, পুরস্কারে দেওয়া হল ‘সবুজ সাথী’র সাইকেল]

ছবি: উদয়ন গুহরায়

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং