Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৪ অক্টোবর ২০২৬
BJP

হাই কোর্টের তৃতীয় নির্দেশের পরই পদক্ষেপ, ৫ বছর পর বুলডোজারে ভাঙা হল বিজেপি নেতার দোকান!

সরকারি খাসজমি দখল করে বিজেপি নেতা দোকানঘর বানিয়েছিল বলে অভিযোগ। ২০২১ সালে ওই দোকান ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। কিন্তু কিছু পদক্ষেপ করেনি পুলিশ-প্রশাসন।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ১৯:৪৫

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬, ১৯:৪৫

options
link
হাই কোর্টের তৃতীয় নির্দেশের পরই পদক্ষেপ, ৫ বছর পর বুলডোজারে ভাঙা হল বিজেপি নেতার দোকান! zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

সরকারি খাসজমি দখল করে বিজেপি নেতা দোকানঘর বানিয়েছিল বলে অভিযোগ। ২০২১ সালে ওই দোকান ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। কিন্তু কোনও  পদক্ষেপ করেনি পুলিশ-প্রশাসন! তৃতীয়বার হাই কোর্ট ওই দোকান ভাঙার নির্দেশ দেয়। শেষপর্যন্ত প্রথম নির্দেশের প্রায় পাঁচবছর পর ওই দোকানঘর ভাঙা হল। পুলিশের উপস্থিতি চলল বুলডোজার। হাইকোর্টের নির্দেশে মঙ্গলবার দেগঙ্গা বাজারে সরকারি খাসজমিতে তৈরি বিজেপি নেতা সুকুমার পালের দোকানঘর ভেঙে দিল প্রশাসন। ঘটনা নিয়ে জোর গুঞ্জনও ছড়িয়েছে এলাকায়।

আজ, মঙ্গলবার টাকি রোডের ধারে এদিনের অভিযান ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। ভাঙার কাজে সুকুমারের পরিবারের মহিলারা বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে বচসা হয় বলে অভিযোগ। পরে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিয়ে দোকানঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন সেনাকর্মী বিশ্বজিৎ দাসের বাড়ির সামনের সরকারি জমিতে ২০২০ সালে দোকান তৈরি হয় বলে অভিযোগ। চার ভাইয়ের চারটি দোকান ছিল সেখানে। নির্মাণ নিয়ে বিশ্বজিৎ দাস কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিলেন। ২০২১ সালে সেই দোকান ভাঙার নির্দেশ দেয় আদালত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও ওই নির্দেশ কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ তুলে ফের মামলা করেছিলেন বিশ্বজিৎ। ২০২৩ সালেও আদালত ওই একই নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশও প্রশাসনের তরফে কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। চলতি বছর তৃতীয়বার ওই একই নির্দেশ দেয় আদালত। এরপর আর প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে গরিমসি করেনি বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এদিন অভিযান চালিয়ে ভাঙা হল ওই দোকান।

বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “দু’বার নির্দেশের পরও দোকান ভাঙা হয়নি। তৃতীয়বার আদালতের নির্দেশে প্রশাসন তা ভেঙেছে।” সুকুমার পালের পাল্টা দাবি, “সরকারি জমিতে আরও অনেক দোকান রয়েছে। শুধু আমার দোকানই ভাঙা হল।” এনিয়ে রাজ্য বিজেপির কার্যকরী কমিটির সদস্য তরুণকান্তি ঘোষ বলেন, “আইন আইনের পথেই চলবে। বেআইনি নির্মাণ হলে সরকার তা ভাঙতে পারে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.