১০ ফাল্গুন  ১৪২৬  রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১০ ফাল্গুন  ১৪২৬  রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: সমতলের পর পাহাড়ে এনআরসির বিরুদ্ধে পদযাত্রা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর সেই পদযাত্রাকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়,“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদযাত্রায় দলের লোকও নেই। আর সাধারণ মানুষও নেই। জোর করে পদযাত্রা করছেন উনি।” বৃহস্পতিবার নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সমতল থেকে ২৬০০ ফুট উচুতে ঐতিহাসিক বক্সা ফোর্টে জাতীয় পতাকা উত্তোলনও করেন দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে সেই এই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দূর্গের উন্নয়নের দাবিও জানান বিজেপি সভাপতি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে বি্জেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোর করে পদযাত্রা করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর দলের লোকও নেই, সাধারণ মানুষও নেই। খালি যাঁরা পেইড ওয়ার্কার তাঁপা রয়েছেন। যাঁরা ১০০দিনের কাজের লোক, চুক্তিভিত্তিক কাজের লোক তাঁদের জোর করে ডেকে এনে পদযাত্রা করছেন। তাঁদের কোনও উৎসাহ নেই, উদ্দীপনাও নেই।” দিলীপবাবুর আরও কটাক্ষ, “মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে কিছু বোর্ড করে দিয়েছেন। সেই বোর্ডে টাকা দিচ্ছেন। তাই সেই বোর্ডের লোকেরা লোক এনে পদযাত্রা করাচ্ছেন। আমরা ফালাকাটায় পদযাত্রা করেছি। সেখানে জনজোয়ার দেখা গিয়েছে।” প্রসঙ্গত, বুধবার ফালাকাটায় NRC’র সমর্থনে অভিনন্দন যাত্রা করেন দিলীপবাবু। সেখান থেকে বক্সা পাহাড় চূড়ায় লেপচাখাতে যান তিনি। সেখানে রাত্রিযাপনও করেন। বৃহস্পতিবার সকালে লেপচাখা থেকে ঐতিহাসিক বক্সা ফোর্টে নেমে আসেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর সঙ্গে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ছিলেন। আলিপুরদুয়ারের জেলা বিজেপির সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা-সহ এদিন বিজেপির ৫৩জন নেতাকর্মী এদিন বক্সা ফোর্টে উপস্থিত ছিলেন।

[আরও পড়ুন: অনুব্রতর মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ের হুমকি সোশ্যাল মিডিয়ায়, গ্রেপ্তার ২]

এদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর দিলীপ ঘোষ বলেন, “ঐতিহাসিক বক্সাফোর্ট দেখতে দূর-দুরান্ত থেকে যুবক-যুবতীরা আসেন। এখানে স্বাধীনতা সংগ্রামী ত্রৈলক্যনাথ চক্রবর্তী-সহ বিভিন্ন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক বক্সা ফোর্টের সংস্কার করা প্রয়োজন। এছাড়া এখানে রাস্তা তৈরি করা দরকার। আড়াইঘন্টা পায়ে হেঁটে মানুষকে বক্সা ফোর্টে পৌঁছতে হচ্ছে। রাজ্য সরকার এই বক্সা ফোর্টের সংস্কার করতে না পারলে কেন্দ্রকে সংস্কারের জন্য আবেদন করুক।” বক্সা পাহাড়ে বিভিন্ন গ্রামের বাড়ি-বাড়ি যান দিলীপ ঘোষ। পাহাড়ি এলাকায় জনসংযোগ গড়ে তোলেন তিনি। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের অধীন বক্সা পাহাড়ের ১৩ গ্রামের মানুষের সমস্যার কথা শোনেন। এদিন বক্সা পাহাড়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই দেখা গিয়েছে দিলীপ ঘোষকে। মাঠে খুদেদের সঙ্গে ফুটবল খেলতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং