সোমনাথ পাল, বনগাঁ: বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে মারধরের অভিযোগ। অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত দুই বিজেপি কর্মীর নাম সুজিত ঘোষ ও শিবানন্দ ঘোষ। দু’জনেরই আঘাত গুরুতর। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে গোপালনগর থানার গঙ্গানন্দপুর পঞ্চায়েতের কুচিমোড়া গ্রামের। রাতেই তড়িঘড়ি তাঁদের বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। আক্রান্ত সুজিতবাবুর অভিযোগ, এলাকায় বিজেপি জেতায় আক্রোশের বশে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।
[মাধ্যমিকে তাক লাগিয়ে দেওয়া রেজাল্ট, মেয়ের উচ্চশিক্ষার জন্য সাহায্য প্রার্থনা বাবার]
এই প্রসঙ্গে সুজিত ঘোষ বলেন, তাঁর স্ত্রী শ্যামলী ঘোষ গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রাম সভায় বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন। জিতেও যান। বড়সড় মার্জিনেই পঞ্চায়েতের আসন খোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ, ফল ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা তাঁদের ভয় দেখাচ্ছিল৷ এদিন রাতে বাড়ি ফেরার পথে তাঁদের উপরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। এই মারধরের ঘটনায় যুক্ত ছিল গ্রামেরই তৃণমূল কর্মী সৌমিত্র ঘোষ-সহ বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। হামলার পর আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা থানায় অভিযোগও দায়ের হয়েছে। তদন্তে নেমেছে বনগাঁ থানার পুলিশ।
যদিও দলের বিরুদ্ধে ওটা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এই প্রসঙ্গে বনগাঁ উত্তরের তৃণমূল নেতা তথা বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস বলেন, এই অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যে। হামলার ঘটনা বিজেপির দলীয় কোন্দলের ফল। কে ক্ষমতা ভোগ করবে তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়েই এই হামলা হয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। এধরনের কাজকে তৃণমূল কখনওই সমর্থন করে না।
[অভাব অন্তরায়, উচ্চ মাধ্যমিকে ৯০ শতাংশ পেয়েও নির্বিকার রঘুনাথ]
সর্বশেষ খবর
-
নকশাল নেতা সরোজ দত্তর এনকাউন্টার দেখেছিলেন উত্তমকুমার! ন্যায়-প্রশ্নে বরাবরই বিদ্ধ পুলিশ
-
অসময়ে রথযাত্রা উদযাপন! ওড়িশা থেকে ইসকনের উৎখাত চেয়ে বিক্ষোভ কলিঙ্গ সেনার
-
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে হকার উচ্ছেদ! আসানসোলের ৩ আধিকারিককে শোকজ
-
ঝাড়গ্রামে হাতির পাল, বন দপ্তরের কর্মীদের উপর হামলা! উলটে ফেলা হল গাড়ি
-
যত নষ্টের গোড়া আইপ্যাক! ঋতপন্থী তৃণমূলে জেলা সভাপতির দায়িত্ব পেয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত