BREAKING NEWS

২৩ শ্রাবণ  ১৪২৭  রবিবার ৯ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

সদস্যদের অস্তিত্ব আছে কি ? বুথকর্মীদের সশরীরের হাজিরার নির্দেশ বিজেপির

Published by: Paramita Paul |    Posted: February 14, 2020 9:19 pm|    Updated: February 14, 2020 9:37 pm

An Images

ফাইল ফটো

রূপায়ন গঙ্গোপাধ্যায়: দিল্লির ভোটের ফলাফল থেকে সতর্ক গেরুয়া শিবির। রাজধানীতে সাংগঠনিক ভুল-ত্রুটি যা হয়েছিল তা যেন বাংলায় না হয় সেদিকে নজর বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। এ রাজ্যে আগামী পুরভোট ও ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নিচুতলার সংগঠনকে শক্তিশালী ভিতের উপর দাঁড় করাতে চায় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই বুথের নেতাদের নাম শুধু খাতায়-কলমে নয়, তাদের অস্তিত্ব যাচাইয়ে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন করবে দল। শুক্রবার হাজরায় মহারাষ্ট্র নিবাসে সংগঠন নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সহকারী সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশ। শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের দলের জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে রাত পর্যন্ত সংগঠন নিয়ে বৈঠক চলে। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ ও অরবিন্দ মেনন, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ মুকুল রায়, রাহুল সিনহা, সুব্রত চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ শীর্ষ নেতারা।

বৈঠক সূত্রে খবর, দিল্লিতে ভোটের আগে পঞ্চ পরমেশ্বর নাম দিয়ে প্রতি বুথ থেকে পাঁচজনকে নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছিল। যে বৈঠকে অমিত শাহ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের দিন দেখা যায় সেই সমস্ত বুথের অধিকাংশ কার্যকর্তাদের কোনও অস্তিত্ব নেই। এই দিল্লির উদাহরণ তুলে ধরে শিবপ্রকাশ বলেছেন, এ রাজ্যে তাই প্রতিটি বুথের কমিটির সদস্যদের ছবি ও মোবাইল নম্বর দিতে হবে। তাদের ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন হবে। যেখানে বুথের সংগঠন শক্তপোক্ত নয়, সেখানে রাজ্য নেতাদের গিয়ে রাত্রি যাপন করতে হবে। সংগঠনকে মজবুত করতে হবে।

[আরও পড়ুন : বাধা নয় দূরত্ব বা ব্যস্ততা, কাজের ফাঁকে অফিসেই বিয়ে সারলেন IAS-IPS দম্পতি]

জেলা সভাপতিদের উদ্দেশে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লির ভোটের ফলাফল নিয়ে ভাবার কারণ নেই। প্রতি রাজ্যের পরিস্থিতি আলাদা। বুথে বুথে শাসকদলের বিরুদ্ধে সমানে সমানে লড়াই করবে এরকম ‘দমদার’ নেতা দরকার। আর তাদেরই পদে রাখতে হবে। বুথ কমিটিতে বিভিন্ন বর্গের মানুষকে রাখতে হবে। মহিলা ও যুবদের সংখ্যায় বেশি রাখতে হবে বুথ কমিটিতে। বৈঠকে বিভিন্ন জেলায় দলের সভাপতিদের এমন একাধিক পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

[আরও পড়ুন : স্কুলের পোশাকে পদ্মফুলের লোগো, অভিভাবকদের বিক্ষোভে ভুল স্বীকার কর্তৃপক্ষের]

এনআরসি ও সিএএ-র বিরোধিতায় পথে নেমে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পালটা সিএএ—র পক্ষে মানুষকে বোঝাতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে বিজেপিও। সিএএ নিয়ে মানুষ কী ভাবছে সেই ‘ফিডব্যাক’ নেওয়ার জন্য জেলা সভাপতিদের বক্তব্য এদিন জানতে চায় শীর্ষ নেতৃত্ব। সিএএ নিয়ে গোর্খাদের মধ্যে প্রভাব কি সেটাও দার্জিলিং জেলার নেতাদের কাছ থেকে জানতে চান শীর্ষ নেতারা। সিএএ-র পক্ষে দলের কর্মসূচি আরও অন্যরকমভাবে কীভাবে করা যায় তা নিয়েও জেলা নেতাদের মতামত চাওয়া হয়। এ থেকে স্পষ্ট, পুরভোটের আগে সিএএ—র পক্ষে প্রচারকে আরও তুলে ধরতে চায় বিজেপি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement