৫ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ২১ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

বিক্রম রায়, কোচবিহার: কোচবিহারে জলাজমি থেকে উদ্ধার হল এক বিজেপি কর্মীর নলিকাটা মৃতদেহ। মৃতের নাম আনন্দ পাল (৩২)। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার ১ নম্বর ব্লকের ডাওয়াগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁঠালগুড়ি এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

[আরও পড়ুন- সংকটকালে পুত্রের জন্ম, চিকিৎসকদের উপর ‘আস্থা’ থেকেই নামকরণ]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই যুবক কোচবিহারের মারুগঞ্জের ঢেলাকোবা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। আগে তৃণমূল করলেও লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সোমবার রাতে আচমকা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর মঙ্গলবার সকালে কাঁঠালগুড়ি এলাকার রাস্তার ধারে জলাজমিতে একটি দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পাশে একটি মোটরবাইকও পড়েছিল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, দেহটি উদ্ধারের সময় চোখে পড়ে যুবকের গলার নলি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটা হয়েছে।

এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আছে বলে অভিযোগ করেছেন কোচবিহারের বিজেপি সভাপতি মালতি রাভা। তিনি বলেন, “আনন্দ আগে তৃণমূল করলেও লোকসভার আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর থেকে এলাকায় সক্রিয়ভাবে দলের কাজও করছিলেন। সেই রাগেই তাঁকে খুন করেছে তৃণমূল। এভাবে সন্ত্রাসের আবহাওয়া তৈরি করে মানুষের মনে আতঙ্ক ছাড়ানোর চেষ্টা করছে তারা।”

[আরও পড়ুন- জট কাটিয়ে সচল রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মমুখর এনআরএস-সহ রাজ্যের হাসপাতালগুলি]

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। উলটে তাদের দাবি, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই ঘটেছে এই ঘটনা। এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্টভাবে কারওর নামে অভিযোগ না জানালেও মৃতের পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক কারণেই খুন হতে হয়েছে আনন্দকে। এই ঘটনায় জড়িতদের কড়া শাস্তি দেওয়ারও দাবি তুলছে তারা। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্তও।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং