টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: ফের বেলাগাম দিলীপ ঘোষ। এবার বাঁকুড়ার সভা থেকে NRC ও CCA ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সাংসদের কথায়, “মুসলিমরাই মুখ্যমন্ত্রীর ভোটবাক্স ভরায়, সেই কারণে ভোটবাক্সের কথা ভেবেই CAA’র বিরোধিতায় পথে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” পাশাপাশি, এদিন রাষ্ট্রমন্ত্রী সুরেশ অঙ্গদির মন্তব্যে সায় দিয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে অভিযুক্তদের গুলি করা হবে বলে সাফ জানালেন দিলীপ ঘোষ।
শনিবার দুপুরে বাঁকুড়া শহরের হিন্দি স্কুল ময়দান থেকে তামিলবাঁধ ময়দান পর্যন্ত মিছিলে পা মেলান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। মিছিল শেষে তামিলবাঁধ ময়দানে একটি সভা করেন দিলীপবাবু। সেখানেই NRC ও CCA ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দাগলেন বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, “মানুষের জন্য নয়, ভোটবাক্সের কথা ভেবেই নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় সুর চড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, মুখ্যমন্ত্রী জানেন মুসলিমরা এদেশে না থাকলে কেউ তাঁকে ভোট দেবে না। ” ফিরহাদ হাকিমকে কেন মেয়রের আসনে বসানো হয়ছে, তা নিয়েও কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। সেইসঙ্গে শেষ কয়েকদিনে রাজ্যের পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। শালীনতার সীমা অতিক্রম করে সাংসদ সুভাষ সরকারের পথে হেঁটেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। বলেন, পুলিশ কেন কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেয়নি? তাঁরা কি মুখ্যমন্ত্রী আঁচলের নিচে লুকিয়ে ছিল?”
[আরও পড়ুন: সরষের মধ্যেই ভূত! সরকারি কর্মীর যোগসাজশেই রূপশ্রী প্রকল্পে লক্ষাধিক টাকার দুর্নীতি]
পাশপাশি, সভা থেকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “অসমেও গুলি চলেছে। বাংলার যেখানে অশান্তি হবে, সেখানেও গুলি চলবে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে মরতেই হবে। কাউকে ছাড়া হবে না। সব জায়গায় বন্দুক চলবে, কত জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী সামলাবেন?” সেইসঙ্গে ২০২১ এর নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২১-এর নির্বাচনে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসবেই। মুখ্যমন্ত্রী এখন যেভাবে পথে ঘুরছেন। ২১-এর পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবেন। CAA হবেই আর মুখ্যমন্ত্রী পদচ্যুত হবেনই। দিলীপ ঘোষের এদিনের মন্তব্যকে ঘিরেই দানা বাঁধছে বিতর্ক।
দেখুন ভিডিও:
সর্বশেষ খবর
-
ফোন, ওটিপি নয়! তবু অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও সাড়ে ৮ লক্ষ, মাথায় হাত ব্যবসায়ীর
-
পুজোর ফ্যাশনে ইন ধনেখালি কাফতান! স্টাইল ও স্বাচ্ছন্দ্যে সাজুন নায়িকাদের মতো
-
পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে সিন্ধুতে বড় চাল ভারতের! লাদাখে প্রথম পাথরের বাঁধ বানাল নয়াদিল্লি
-
‘ডাকাতের গ্রাম’ থেকে এবার ডাক্তার! কালিমুল্লাহর নিট সাফল্যে ‘বদনাম’ ঘোচানোর স্বপ্ন বাঁকুড়ার মুক্ষ্যাপাড়ায়
-
রাষ্ট্রসংঘের নতুন বিশ্ব মানচিত্রকে সমর্থন করেও হুঁশিয়ারি ভারতের, কোথায় আপত্তি দিল্লির?