Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
পর্বতারোহী

চন্দ্রভাগা অভিযান কাড়ল প্রাণ, বাড়ি ফিরল ছেলের কফিনবন্দি দেহ

১০ সেপ্টেম্বর চন্দ্রভাগা অভিযানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন সাহেব সাহা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৬:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৬:৩৯

options
link
চন্দ্রভাগা অভিযান কাড়ল প্রাণ, বাড়ি ফিরল ছেলের কফিনবন্দি দেহ zoom

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: অবশেষে নদিয়ায় ফিরল চন্দ্রভাগা অভিযানে গিয়ে মৃত সাহেব সাহার দেহ। সোমবার সকাল ৮ টা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছয় তাঁর দেহ। এরপর গাড়িতে রওনা হয় কৃষ্ণনগরের উদ্দেশ্যে। বেলা ১১টা নাগাদ কৃষ্ণনগরে পৌঁছয় সাহেবের কফিনবন্দি দেহ। দেহ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃত অভিযাত্রীর পরিবার। শোকের ছায়া গোটা এলাকায়।

[আরও পড়ুন:পুরুলিয়ায় মড়কের মুখে গবাদি পশু, রোগ নিরাময়ে তৎপর সংশ্লিষ্ট দপ্তর]

১০ সেপ্টেম্বর নেচার অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার লাভার্স অ্যাসোসিয়েশানের তরফে ১৩ জনের একটি অভিযাত্রী দল কৃষ্ণনগর থেকে মানালির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেই দলেই ছিলেন নদিয়ার চাপড়া থানার বাসিন্দা সাহেব সাহা। ১৪ সেপ্টেম্বর রোটাং পাস থেকে শেষবার পরিবারের সঙ্গে কথা হয় সাহেববাবুর। জানান, অভিযান শেষে আবার বাড়িতে ফোন করবেন। এরপর শুরু হয় অভিযান পর্ব। ১৪ হাজার ফুট উচ্চতায় বেস ক্যাম্পে পৌঁছয় দলটি। পরে শুক্রবার ওই সংস্থার তরফে সাহেববাবুর বাড়িতে গিয়ে জানানো হয় মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির। জানা যায়, বেস ক্যাম্পে পৌঁছনোর পরই শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল সাহেবের। বেশ কিছুক্ষণ সময় পেরিয়ে যায় তাঁকে নিচে নামাতে। ততক্ষণে মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির। পরে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই ব্যক্তির।

Advertisement
saheb-saha
দেহ ফিরল বাড়িতে

এরপর হিমাচল প্রদেশের কাজা থানা এলাকায় রাখা হয় সাহেববাবুর দেহ। সেখানেই ময়নাতদন্তের পর হিমাচল প্রদেশ থেকে দেহ পাঠানো হয় কৃষ্ণনগরে। রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ সাহেববাবুর কৃষ্ণনগরের ফ্ল্যাটে পৌঁছয় কফিনবন্দি দেহ। দেহ পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। আধ ঘণ্টা সেখানে থাকার পর সাহেবের আদি বাড়ি চাপড়ার উদ্দেশে রওনা হয় কফিনবন্দি দেহ। জানা গিয়েছে, সেখানে কিছুক্ষণ রাখার পর সৎকারের জন্য নবদ্বীপে নিয়ে যাওয়া হবে অভিযাত্রীর দেহ। পরিবারের বারণ সত্বেও শৃঙ্গজয়ের নেশায় ঘর ছেড়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাহেব। কেউ ভাবতেও পারেননি নেশাই কেড়ে নেবে প্রাণ। কিন্তু কীভাবে মৃত্যু হল সাহেবের, তা এখনও ধোঁয়াশা। নেচার অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চার লাভার্স অ্যাসোসিয়েশানের তরফে বলা হয়েছে, এখনও মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তবে কাজা থানা থেকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলেই সাহেবের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

[আরও পড়ুন: সালিশি সভায় ২ যুবককে মারধর, প্রতিবাদে ব্লক অফিস ঘেরাও স্থানীয়দের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.