১৬ ফাল্গুন  ১৪২৬  শনিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

আসানসোল উৎসবে আসছেন শর্মিলা ঠাকুর

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: November 16, 2019 9:45 pm|    Updated: November 16, 2019 9:45 pm

An Images

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: গতকাল অর্থাৎ শুক্রবারই সমাপ্ত হয়েছে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। আর ঠিক এদিনই আসানসোলে শুরু হল আসানসোল উৎসব। শুক্রবার এই উৎসবের সূচনা করলেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। কলকাতার নামীদামি শিল্পীরা তো বটেই, বরং হাজির থাকছেন মুম্বইয়ের শিল্পীরাও। কিন্তু আসানসোলবাসীরা খুশি অন্য কারণে। এই অনুষ্ঠানে আসছেন শর্মিলা ঠাকুর। যিনি কিনা একসময়ে আসানসোলে থেকে পড়াশোনা করেছেন।  

আগামী ১০ দিন উত্তর আসানসোলের এডিডিএ ময়দানে এই উৎসব চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক শশাঙ্ক শেঠি, পুলিশ কমিশনার দেবেন্দ্রপ্রকাশ সিং, রেলের ডিআরএম সুমিত সরকার, ইসিএলের ডাইরেক্টর পার্সোনাল বিনয় রঞ্জন-সহ বিশিষ্টজনেরা। ১৫ নভেম্বর থেকে ২৪ নভেম্বর টানা ১০ দিন চলবে উৎসব। এই দশ দিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বুঁদ হয়ে থাকবেন আসানসোলের বাসিন্দারা। আসবেন মুম্বই, কলকাতার নামীদামী শিল্পীরাও, জানা গেল উৎসব উদ্যোক্তা কমিটি থেকেই।

[আরও পড়ুন: ‘ঐশ্বর্যও আপনাকে দেখলে লজ্জা পাবেন’, মেকওভার করে হাসির খোরাক রানু ]

শুধু তাই নয়, এই অনুষ্ঠানে আসছেন বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরও। এদিন অনুষ্ঠানের মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, “আসানসোলবাসীর দাবি মেনে আসানসোল উৎসব শুরু হয়। এই আসানসোলের লরেটো কনভেন্টের ছাত্রী ছিলেন শর্মিলা ঠাকুর। আসানসোলের আবেগের কথা মাথায় রেখে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তাঁকে আসানসোল আসার প্রস্তাব দিতেই এককথায় রাজি হয়ে যান।”

প্রতিদিনই বিভিন্ন নামী শিল্পীরা থাকছেন। সৈকত মিত্র, লোপামুদ্রা মিত্র, হৈমন্তি শুক্লা, শুভমিতা, স্বপন বসু, পরিক্ষীত বালা, ইন্দ্রনীল সেন, শ্রীকান্ত আচার্য্য, দোহার ব্যান্ড থেকে বাচিক শিল্পী ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দ্রানী দত্তের ডান্স ট্রুপ অনুষ্ঠান মাতাবেন। তবে, এবারের মূল আকর্ষণ শর্মিলা ঠাকুর। উৎসব কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, স্থানীয় শিল্পীদের উৎসাহ দিতে প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত তাঁদের নিয়ে অনুষ্ঠান হবে। তার পরে বাইরের শিল্পীরা অনুষ্ঠান করবেন। ১৫০ স্টল থাকবে মেলা প্রাঙ্গণে। রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতর, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, তন্তুজ এবং বেসরকারি নানা সংস্থার স্টলের পাশাপাশি থাকছে বেশ কিছু বইয়ের স্টল, হস্তশিল্পের স্টল। 

[আরও পড়ুন: বারুইপুরে রাস্তার বেহাল দশা, দ্রুত মেরামতির আরজি জানিয়ে মেয়রকে চিঠি সাংসদ মিমির ]

An Images
An Images
An Images An Images